ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মেধা বৃত্তিপ্রাপ্ত সাজিদ স্যারের সরাসরি তত্ত্বাবধানে
অধিকাংশ অভিভাবক ও শিক্ষার্থী ক্লাস নাইনে এসে শুধু সামনের বার্ষিক পরীক্ষা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। কিন্তু সত্য কথাটা কি জানেন?
তাই শুধু বার্ষিক পরীক্ষার সাজেশন নয় — আমাদের লক্ষ্য ক্লাস নাইনের সিলেবাস শেষ করার পাশাপাশি এসএসসির জন্য একটি নিখুঁত ও মজবুত ভিত্তি গড়ে তোলা।
আমি সাজিদ স্যার। শিক্ষকতার ক্ষেত্রে আমার অর্জন ও ব্যাকগ্রাউন্ড নিচে তুলে ধরছি:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়া যেখানে প্রতিটি শিক্ষার্থীর আজীবনের স্বপ্ন এবং প্রচণ্ড প্রতিযোগিতামূলক—সেখানে তীব্র প্রতিযোগিতার মাঝে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাওয়ার পর আবার মেধার স্বাক্ষর রেখে সরকারি মেধা বৃত্তি অর্জন করা আরও বড় বিষয়। সাজিদ স্যার তাদেরই একজন।
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগ থেকে বিবিএ ও এমবিএ সম্পন্ন করেছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে ৪২ পৃষ্ঠার একটি মেধা বৃত্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছিল। ওই ৪২ পৃষ্ঠার বিজ্ঞপ্তির মধ্যে ১৯ নম্বর পৃষ্ঠায় সাজিদ স্যারের নাম এসেছে এবং তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মেধা বৃত্তি পেয়েছেন।
১৯ নম্বর পৃষ্ঠায় ঠিক কোথায় সাজিদ স্যারের নাম এসেছে—তা সরাসরি নিচের ছবিতে লাল মার্ক করে দেখানো হয়েছে:
⚠️ সম্পূর্ণ ৪২ পৃষ্ঠার অফিশিয়াল বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে নিচের বাটনে টিপ দিন — তবে মনে রাখবেন এটি ৪২ পৃষ্ঠার বড় সরকারি ফাইল। তাই ফাইলটি ওপেন হলে স্ক্রল করে সোজা ১৯ নম্বর পৃষ্ঠায় যাবেন, সেখানে শুরুতেই (২য় সারিতে) সাজিদ স্যারের নাম (MD. SAJID ALI, রোল: 024-176, ম্যানেজমেন্ট বিভাগ) পাবেন:
📂 সম্পূর্ণ ৪২ পৃষ্ঠার সেই প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে টিপ দিন (PDF)📘 বই দুটি:
📗 ছোট্ট পুস্তিকা চারটি:
(৯+ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা — ২০১৬ সাল থেকে একটানা পড়াচ্ছেন)।
সাজিদ স্যার নিজে যাদের কাছে শিখেছেন, তারাও একেকজন কিংবদন্তি —
মুখের মিষ্টি কথা নয় — শিক্ষার্থীদের লিখিত ফেসবুক পোস্ট, ভিডিও ও পরীক্ষার বাস্তব মার্কস দিয়ে কথা বলা যাক:
"Apnake always amar life er best teacher hisebei manbo! Emon ek time a apnar kache giyechilam jeita asoleo amar jonno onk tough period chilo math, finance eigulor voi continues chilo but apnar guidance er karone ami eto tai develop korechilam ja bolar baire! Apnar math koranor technique etoi easy ja bolar baire! And ami toh Public University ki jinis tai jantam na apni e motivate korlen nijer apon vai er moto! Without any doubt apni teacher hisebe one of the best vai! Will always be grateful to you!"
"আপনার পড়ার মধ্যে নতুনত্ব পেয়েছি। আপনি একটা বিষয় কীভাবে সহজবোধ্যভাবে বুঝানো যায় সেই চেষ্টা করেন সবসময়। রুলস মুখস্থ করা ছাড়াও যেভাবে পড়াতেন তাতে গ্রামারের মূল এসেন্স বুঝতে পারতাম। গণিতের ভয় কাটানোর জন্য আপনার মেথড অতুলনীয়।"
"Sir ar Kase Ami 2 bosor ar aktu besi porechi Ami onk kichu sikhte perechi Sir ar math onk Valo kore bujhai ar unar basic bujhano ta oshadharon Tar shate English to asei full basic diye sikhano!"
"আসসালামু আলাইকুম স্যার, আপনি সবসময়ই অনেক গুরুত্ব দিয়ে পড়ান। আপনার ম্যাথ করানোর মেথডের কারণে ম্যাথ অনেক সহজ হয়ে যায়। দোয়া করি, আমার মতো আরোও অনেক স্টুডেন্ট আপনার দ্বারা উপকৃত হবে।"
"Vai apnar poraa niye r ki bolbo? onk teacher er kache ami porechi but jokhon theke apnar kache vorti hoyechilaam tokhon er por theke r kono teacher er poraa mathai dhuke nai... you are the best teacher ever!"
💬 ফেসবুকে এই শিক্ষার্থীদের নিজের হাতে লেখা এবং এরকম আরও বহু শিক্ষার্থীর দেওয়া রিভিউ দেখতে নিচের বাটনে টিপ দিন। বাটনে টিপ দিলে আপনার মোবাইলের ফেসবুক অ্যাপ সরাসরি ওপেন হয়ে যাবে — সেখানে গিয়ে শুধু কমেন্টগুলো ভালো করে পড়বেন, আর কিছুই দেখা লাগবে না।
⚡ ফেসবুকে শিক্ষার্থীদের নিজের হাতে লেখা সব রিভিউ পড়ুন (Fast)আমরা ফাঁকা বুলিতে বিশ্বাস করি না। প্রতিটি সুনির্দিষ্ট একাডেমিক সমস্যার জন্য আমাদের রয়েছে নিজস্ব ও পরীক্ষিত সমাধান:
অধিকাংশ শিক্ষার্থী (a+b)² বা ত্রিকোণমিতির সূত্র মুখস্থ বলে দেয়, কিন্তু প্রশ্নের চিত্রে একটু পরিবর্তন আসলে কোন সূত্রে ফেলবে তা ধরতে পারে না।
উদাহরণস্বরূপ: দূরত্ব ও উচ্চতা বা জ্যামিতির অংকে কোণ উপরে ধরবে না নিচে ধরবে তা মুখস্থ করে। আমরা শেখাই কীভাবে বাস্তব জীবনের দৃষ্টিরেখার সাথে কোণ তৈরি হয়। এতে চিত্র আঁকা মাত্র ১ মিনিটে নির্ভুল হয়ে যায়।
বইয়ের অনুশীলনী শেষ করলেও সৃজনশীলের ‘ক’, ‘খ’, ‘গ’ দেখে বুঝতে পারে না এটা কোন নিয়মে পড়বে।
প্রতিটি অধ্যায়ের অংককে আমরা টাইপ-১, টাইপ-২ এভাবে বিভক্ত করে দোলনা গাইড-এর মাধ্যমে ১৬১টিরও বেশি সৃজনশীল টাইপ দিয়ে মাস্টার করাই। ফলে পরীক্ষার হলে প্রশ্ন যেভাবেই ঘুরিয়ে আসুক—শিক্ষার্থীর কাছে তা চেনা মনে হয়।
গাইড বইয়ের শত শত নিয়ম মুখস্থ করে পরীক্ষা দিতে গিয়ে সব নিয়ম গুলিয়ে ফেলে।
আমরা ৬০টি নিয়ম পড়াই না। সাজিদ স্যারের নিজস্ব গবেষণায় তৈরি মাত্র ১ পৃষ্ঠার কনসাইজ ভার্ব শিট এবং ২টি অতিরিক্ত সামারি শিট দিয়ে পুরো গ্রামারের মূল ফ্রেমওয়ার্ক মাথায় স্থায়ীভাবে গেঁথে দেওয়া হয়।
কমন পড়লে মুখস্থ লেখে, আর আনকমন পড়লে সাদা খাতা জমা দিয়ে আসে বা ভুলভাল ইংরেজি লিখে নম্বর কাটে।
কীভাবে বাংলা বাক্যকে ভেঙে ইংরেজিতে স্ট্রাকচার গঠন করতে হয়, কানেক্টরস ব্যবহার করতে হয় এবং মুখস্থ ছাড়াই যেকোনো বিষয়ে নিজে থেকে বানিয়ে লিখতে হয়—তা হাতে-কলমে শেখানো হয়।
শিক্ষক লেকচার দিয়ে চলে যান, কে বুঝল আর কে বুঝল না—তা দেখার কেউ থাকে না।
আমাদের প্রতিটি ব্যাচে সর্বোচ্চ ১২ জন শিক্ষার্থী থাকে। ক্লাসের মূল পড়া শেষে প্রতিদিন ১৫-২০ মিনিট দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদাভাবে বসে খাতায় ধরিয়ে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। ক্লাসের পড়া ক্লাসেই শতভাগ নিশ্চিত করা হয়।
অধিকাংশ শিক্ষার্থী সময়ের হিসাব না রেখে লিখতে গিয়ে শেষের প্রশ্নগুলো অর্ধেক লিখে রেখে আসে।
সপ্তাহে সপ্তাহে ঘড়ি ধরে হুবহু বোর্ড পরীক্ষার স্ট্যান্ডার্ডে পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে পরীক্ষার হলের নার্ভাসনেস পুরোপুরি দূর হয়ে যায়।
আমরা মুখে কোনো আশ্বাস দিই না। আপনার সন্তানের অগ্রগতির প্রতিটি তথ্য থাকবে আপনার হাতের মুঠোয়:
সাজিদ স্যারের ব্যাকগ্রাউন্ড, পড়ানোর পদ্ধতি, পরীক্ষার রেকর্ড ও ট্র্যাকিং সিস্টেম যদি আপনার কাছে নির্ভরযোগ্য মনে হয়ে থাকে এবং সন্তানকে সাজিদ স্যারের তত্ত্বাবধানে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন — তবে নিচে এবার ভর্তি ফি ও মাসিক বেতনের বিবরণ দেখে নিন:
অনেকে ভাবেন নতুন মাস শুরু না হলে ভর্তি হওয়া যাবে না। কিন্তু আমাদের এখানে সেই সমস্যা নেই!
আপনার সন্তান যদি মাসের ১১ বা ১২ তারিখেও ভর্তি হয়, তবে পুরো মাসের বেতন দিতে হবে না। ওই মাসের বাকি থাকা ১৮ দিনের ক্লাস হিসেব করে শুধু প্রো-রেটেড (Pro-rated) বেতন নেওয়া হবে। তাই দেরি না করে এখনই শুরু করা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।
এটি কোনো ঢালাও কোচিং সেন্টার না। এটি সাজিদ স্যারের সর্বোচ্চ ১২ জনের স্পেশাল প্রাইভেট ব্যাচ। কোয়ালিটি ও নিবিড় যত্নের কারণে আমাদের সার্ভিস সম্পূর্ণ অনন্য।
আমরা আমাদের পড়ানোর মানের ব্যাপারে এতটাই আস্থাশীল যে টাকা ফেরতের শতভাগ গ্যারান্টি দিই।
এক মাস পড়ানোর পরও যদি আপনার সন্তান পড়া বুঝতে ব্যর্থ হয় — ভর্তি ফি ও বেতন সম্পূর্ণ ফেরত পেয়ে যাবেন। কোনো প্রশ্ন করা হবে না।
অভিভাবকদের সচরাচর করা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর খোলামেলা উত্তর (রুটিন জানতে নিচের ১ম প্রশ্নে চাপ দিন):
আমাদের সাধারণত সপ্তাহে ৩ দিন মূল ক্লাস হয় (প্রতিদিন ২ ঘণ্টা করে — ১ ঘণ্টা গণিত ও ১ ঘণ্টা ইংরেজি)।
👇 নিচের অপশনগুলো থেকে এক এক করে নির্বাচন করুন:
শুনুন খোলামেলা সত্য কথা:
২/৩ দিনের ফ্রি ক্লাস অধিকাংশ ক্ষেত্রে একটি সাধারণ ভেল্কিবাজি। প্রথম ২/৩ দিন সব শিক্ষকই খুব সুন্দর অভিনয় করে পড়ান, কিন্তু ফি নেওয়ার পর আর সেই আন্তরিকতা ও সিরিয়াসনেস থাকে না।
তাই আমরা আপনাকে আরও বড় ও নিরাপদ সুযোগ দিচ্ছি:
(আমরা ফোন দিয়েও আপনাকে বিব্রত করব না যে সন্তান কেন ছাড়ছে। আমাদের পড়ানোর মানের ওপর শতভাগ আত্মবিশ্বাস আছে বলেই এই গ্যারান্টি দিতে পারি।)
হ্যাঁ, ছেলে ও মেয়েদের ব্যাচ সম্পূর্ণ আলাদা।
আমরা সম্পূর্ণ পৃথক সময়ে ছেলে ও মেয়েদের পাঠদান করাই, যেন ক্লাসের পড়াশোনার নিখুঁত পরিবেশ ও পূর্ণ শৃঙ্খলা বজায় থাকে এবং শিক্ষার্থীরা শতভাগ মনোযোগ ক্লাসেই দিতে পারে।
সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে রাখছি — শুধুমাত্র ক্লাস ৯ ও ক্লাস ১০-এর ছেলেদের English Version ব্যাচ চালু রয়েছে।
ক্লাস ৭ বা ক্লাস ৮-এ কোনো ইংলিশ ভার্সন ব্যাচ নেই। এছাড়া ক্লাস ৯ ও ১০-এও মেয়েদের ইংলিশ ভার্সন ব্যাচ নেই (শুধুমাত্র বাংলা ভার্সন রয়েছে)।
প্রতিষ্ঠানের সম্পূর্ণ ঠিকানা:
৩৩/১১, তাজমহল রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা - ১২০৭
কীভাবে খুঁজে পাবেন (ল্যান্ডমার্ক):
মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় কলেজ থেকে মাত্র ২ মিনিটের হাঁটা পথ। কেন্দ্রীয় কলেজের সামনে এসে যে কাউকে জিজ্ঞেস করলেই হবে যে "বঙ্গবন্ধু মাঠ" কোনদিকে। সেই মাঠের সাথেই আমাদের প্রতিষ্ঠান অবস্থিত।