এখানে পড়ান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বৃত্তিপ্রাপ্ত — সাজিদ আলী আত্তারি
⬇️ নিচে আপনার সন্তানের ভালো রেজাল্টের সাথে জড়িত সমস্যাগুলো উল্লেখ করছি।
মন লাগিয়ে পড়েন। তারপর বুঝবেন যে, আপনি এইভাবে না ভেবে নিজের সন্তানের জীবনকে কীভাবে বিপদে ঠেলে দিয়েছেন।
এরকম একের পর এক ধাক্কায় আপনার সন্তানের পড়াশোনার মধ্যে অনেক বড় বড় সমস্যা চলে এসেছে।
করোনার সময় স্কুল বন্ধ। অনলাইন ক্লাস হয়েছিল কিন্তু মাথায় কিছু ঢোকেনি। তারপর নতুন কারিকুলাম, জুলাই আন্দোলন, সরকার পতন। এত ধাক্কার মধ্যে আপনার সন্তান কবে পড়লো?
বীজগণিত, ত্রিকোণমিতি, জ্যামিতি — সব কঠিন লাগে। বেসিক ক্লিয়ার নেই, শিক্ষকরা সরাসরি চ্যাপ্টার শুরু করে দেয়। পরীক্ষায় ফেল বা খারাপ Marks।
বইয়ের অংক মুখস্থ করে ফেলেছে — বুঝেনি। পরীক্ষায় একটু ভিন্নভাবে আসলেই সম্পূর্ণ blank! অনেক ভালো ছাত্র পরীক্ষায় খারাপ করে।
Right Form of Verb, Tag Question, Transformation — এসব দেখলেই মাথা ঘুরে যায়। শত শত rules মুখস্থ করতে বলে — কিন্তু বুঝিয়ে দেয় না। পরীক্ষায় blank থেকে যায়।
Paragraph মুখস্থ করে লেখে। নতুন টপিক এলে ফাঁকা থেকে যায়। কেউ step by step শেখায় না — idea থেকে sentence, sentence থেকে paragraph।
৪০-৫০ জনের ক্লাসে হারিয়ে যায়। লজ্জায় প্রশ্ন করতে পারে না। শিক্ষক খেয়াল করে না। দিন দিন gap বাড়ে।
মনে রাখবেন — এটা কোনো কোচিং সেন্টার না যেখানে গাদাগাদি ছাত্র পড়ে।
এটা ছোট্ট প্রাইভেট ব্যাচ — সর্বোচ্চ ১২ জন।
আমাদের রুমে মাত্র ৬টা বেঞ্চ, দুইজন করে ১২ জনের বেশি বসাও যায় না।
এখানে পড়ান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বৃত্তিপ্রাপ্ত — সাজিদ আলী আত্তারি।