ক্লাস ৪ বৃত্তি পরীক্ষার ভিত্তি গড়ার মূল সময়। এখনই সঠিক সিদ্ধান্ত না নিলে আপনার সন্তান পরীক্ষার রেসে অনেক পিছিয়ে পড়বে। আপনার সন্তানের কি নিচের সমস্যাগুলো আছে?
গুণ-ভাগ করতে পারে, কিন্তু পাটিগণিতের সমস্যায় (ঐকিক নিয়ম, গড় ইত্যাদি) গেলে হিমশিম খায়।
অঙ্কের পদ্ধতি জানে, কিন্তু কোন পদ্ধতি কোথায় লাগাবে বোঝে না।
Tense মোটামুটি মুখস্থ করেছে, কিন্তু বাক্য বানাতে বললে ভুল করে।
Tense, sentence structure — এগুলো শুনলেই গুলিয়ে যায়।
ইংলিশের বেসিকটা এখনো তার ঠিকমতো মজবুত হয়নি।
তার ইংলিশ গ্রামারেরও কোনো খুব ভালো অবস্থা নেই।
আমাদের ফয়সাল স্যার আমাদেরকে শুধু বেসিক পড়াইতেন, শুধু বেসিক পড়াইতেন আর শুধু বেসিক পড়াইতেন। এমনকি আমি এবং আমার বন্ধু আমিরুল বোর হয়ে গেছিলাম যে ভাইয়া এত বেসিক কেন পড়ান? নতুন স্টুডেন্ট আসলে তাদেরকেও বেসিক পড়ান, তাদের সাথে আমাদেরকেও আবার সেই একই বেসিক পড়ান! আমাদের এত বেসিক কেন রিপিট হচ্ছে?
কিন্তু পরে যখন স্কুলে রেজাল্ট পাবলিশ হলো, পুরো স্কুলে চারজন শুধুমাত্র পাস করেছিল, যার মধ্যে আমরা দুজন ছিলাম! আমরা দুজনই ভাইয়ার কাছে পড়তাম, আর কেউ পড়ত না (উনি নতুন কোচিং খুলেছিলেন)। তখন আমরা বেসিকের আসল গুরুত্বটা বুঝলাম।
আচ্ছা, এবার বলি ফয়সাল স্যার কে? যিনি এত বেশি করে বেসিক পড়াইতেন, ওই ফয়সাল স্যার হচ্ছেন বাংলাদেশের ঢাকা ইউনিভার্সিটির অ্যাডমিশনের ক্ষেত্রে অ্যাকাউন্টিং সাবজেক্টের সবচেয়ে বিখ্যাত এবং সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া বই "RPS হিসাব বিচিত্রা" এর লেখক! এর মানে পুরো বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া বইয়ের লেখক নিজেও বেসিককে নিয়ে কতটা সিরিয়াস।
আর উনি যাকে পড়ালেন, সে ব্যক্তি আজ কোথায়? যেমন আমি — আমি যেহেতু বেসিকটা মজবুত করে পড়েছিলাম, আমি আজ কোথায়? আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্সও পেলাম, সেখান থেকে ভালো রেজাল্টের কারণে বৃত্তিও পেলাম। সুতরাং, বেসিককে কোনোভাবেই হালকা নেওয়া যাবে না।
নতুন ইংরেজি শব্দ দেখলে অর্থ জানে না, আন্দাজও করতে পারে না।
সৌমিক নামের একটা ছেলেকে আমি পড়াতাম। ওর বাবা ছিলেন একজন ডিম বিক্রেতা। ক্লাস থ্রিতে থাকতেই তার বাবা সৌমিকের হাতে একটা ডিকশনারি ধরিয়ে দিয়েছিলেন, আর প্রতিদিন ৫টা করে শব্দার্থ মুখস্থ করতে দিতেন।
একজন ডিম বিক্রেতা হয়েও উনি যে mindset রেখেছিলেন, সেটাই সৌমিকের ভোকাবুলারির ভিত্তিটা শক্ত করে দিয়েছিল। আজ সৌমিক সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে।
আপনার সন্তান তো এখন ক্লাস 4-এ আছে। প্রশ্ন হলো — ভোকাবুলারি মজবুত করার জন্য আপনি কী পদক্ষেপ নিচ্ছেন? এখনই শুরু করার এটাই সময়।
বোঝানোর পর মাথা নাড়ে। পরীক্ষায় গিয়ে আবার একই ভুল।
এটা মনোযোগের সমস্যা না — ধারণাটা এখনো গেঁথে যাচ্ছে না।
প্রতিটি বাচ্চার জন্য আমাদের সুনির্দিষ্ট সমাধান
আমরা প্রতিটি অধ্যায় শুরু করার আগে চেষ্টা করি যে আগে ওই অধ্যায়ের সাথে জড়িত বেসিক বাচ্চাকে ক্লিয়ার করে দিই, যেটা তার অধ্যায়টা বুঝতে সুবিধা হয়। আমরা হুট করে অধ্যায়ে চলে যাই না। আমরা আগে বেসিক বুঝি আরকি। বেসিক না বুঝে অধ্যায় শুরু করলে বাচ্চার অঙ্ক দেখলে অঙ্ক কঠিন মনে হবে। তখন বাচ্চার দোষ না, দোষ আপনার আর আমার।
আমরা গণিতের বেসিক ও জ্যামিতির বেসিক নিয়ে কতটা সিরিয়াস? জ্যামিতির বেসিকের উপরে লেখা আমাদের ছোট্ট একটা শিটও আছে। আপনি শিটটা পড়ে দেখতে পারেন যে আমরা কেমন বেসিক দিয়ে পড়াই।
"স্যার, আপনি আমাদের সকল বিষয় অনেক বেসিক থেকে বুঝিয়ে দেন, যা পড়াশোনার জগৎকে অনেক সহজ করে তুলে। এর কারণেই যেকোনো ধরনেরই স্টুডেন্ট হোক, সে একটি ভালো ফলাফল অর্জন করতে সক্ষম হয় এবং নিজের জীবনকে সফলতার দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়।"
🔗 রিভিউ প্রমাণ দেখুন →ইংরেজির ক্ষেত্রেও আমরা আগে বাচ্চাকে বেসিক পড়াব। তারপরে আমরা অন্যান্য গ্রামার ইত্যাদিতে হাত দিব। কারণ বেসিক না বুঝলে গ্রামার ইত্যাদি পড়িয়া লাভ নেই।
আমাদের তো বেসিক ইংলিশ কোর্সও আছে। ইংরেজির বেসিকের উপরে লেখা আমাদের বইও আছে। আমরা বেসিক নিয়ে এতটা সিরিয়াস যে আমাদের তৈরি পুস্তিকা ও বইয়ের লিংক নিচে দেওয়া হলো, আপনি নিজেই দেখে বুঝতে পারবেন আমরা বেসিক নিয়ে কতটা সিরিয়াস:
"ইংরেজি গ্রামার আপনার কাছে বুঝে পানির মতই লাগতো। আমি নিজেও এখন টেকনিক গুলো ফলো করে পড়াই আপনি যে টেক্নিক দিয়ে পড়াতেন। গ্রামার মানেই সবাই বুঝে শত শত রুলস মুখস্থ করা, কিন্তু আপনি যেভাবে পড়াইতেন তাতে রুলস মুখস্থ ছাড়াও গ্রামার এর এসেন্স টা বুঝতে পারতাম। ধন্যবাদ আপনাকে।"
🔗 রিভিউ প্রমাণ দেখুন →কোনো সমস্যা নেই, বারবার ভুল করুক! আমরা পরীক্ষা বেশি নেওয়ার ওপর বিশ্বাসী। আমরা এতবারই পরীক্ষা নেব যে সে ভুলগুলো করুক। করতে করতে একসময় কিন্তু সে বুঝেই যাবে এবং ভুলগুলো সংশোধন হবে। তখন তার কাছে এটা কোনো বিষয় মনে হবে না।
শিক্ষক চাইলেও স্কুলের বড় ক্লাসে সবার দিকে সমান মনোযোগ দিতে পারেন না। কিন্তু আমাদের এখানে মাত্র ১২ জনের ছোট্ট ব্যাচ।
প্রতিটা ছাত্রকে আলাদাভাবে দেখা সম্ভব — কে বুঝলো, কে বুঝলো না সব জানা সম্ভব। দুর্বল ছাত্রকে আলাদা সময় — প্রতিদিন ক্লাসের পর আমি হাতে ১৫/২০ মিনিট রাখি "দুর্বলদের আলাদা সাপোর্ট সেশন" নামে। ছোট ব্যাচ হওয়ায় প্রশ্ন করতে লজ্জা কম লাগে, তাই খুব সহজেই প্রশ্ন করতে পারে। প্রতিটা শিক্ষার্থীর অগ্রগতি সঠিকভাবে ট্র্যাক করা সম্ভব হয়।
আপনি জানেন না আপনার সন্তান কতটুকু বুঝেছে? সেটার জন্য আমাদের নিজস্ব অ্যাপ আছে, যেখান থেকে আপনি বাচ্চার রেজাল্ট ইত্যাদি দেখে ক্লিয়ার ধারণা পাবেন। সে কি আগাচ্ছে নাকি পিছাচ্ছে, আমাদের অ্যাপই বলে দিবে আপনার বাচ্চার উন্নতি হচ্ছে নাকি অবনতি হচ্ছে। আমরা পড়াশোনা নিয়ে কতটা সিরিয়াস যে শুধুমাত্র গার্ডিয়ানদের জন্য অ্যাপ বানিয়ে রেখেছি যেন বাচ্চার পড়ার অবস্থা সরাসরি দেখে বুঝতে পারেন।
আর প্রাইভেট পড়ে উন্নতি নেই? আমরা এত ঘন ঘন পরীক্ষা নিই যে আশা করি তার উন্নতি হইতে বাধ্য। আর আমরা যে বেসিক দিয়ে পড়াই, এই জিনিসটা তার উন্নতি করবেই।
এখন থেকে অঙ্ক দেখলেই আর মন খারাপ হবে না। যখন বেসিক থেকে প্রতিটি ধারণা সুন্দরভাবে বুঝতে পারবে, তখন অঙ্ক আর তার কাছে মুখস্থ বা ভয়ের বিষয় থাকবে না। অঙ্ক ভালো লাগতে শুরু করবে এবং সে নিজে থেকেই অঙ্ক করতে উৎসাহিত হবে।
"Apnr pora ek kothai best … Apni Full basic theke bujhan pora ei jnno apnr chara onno kothaw pora bujtey e pari nah 2019 e theke 2023 pjnto apnr kacce E porse Allahmdulilah SSC and HSC vlw e result korty parse apnr obodan onk"
🔗 রিভিউ প্রমাণ দেখুন →মনে রাখবেন — এটা গতানুগতিক কোনো কোচিং সেন্টার না। এটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বৃত্তি পাওয়া ছাত্রের প্রাইভেট ব্যাচ, যেখানে আপনার সন্তান এই সুন্দর পদ্ধতিতে পড়ার সুযোগ পাবে।
সুতরাং — সিট শেষ হওয়ার আগেই এখনই বুকিং করে নিন।
আমরা অনলাইন ও অফলাইন — দুই সিস্টেমেই পড়াই। আপনার বাসা যদি ঢাকার মোহাম্মদপুর বা আশেপাশে হয়, তাহলে অফলাইনে সরাসরি পড়াতে পারবেন। আর আপনার বাসা দূরে হলে, আপনি অনলাইনে পড়াতে পারবেন।
⏰ পরে ভর্তি করাবেন ভাবছেন?
আপনার মাথায় এখন হয়তো আসছে — "এখন না, আর কিছুদিন যাক, তারপর ভর্তি করাবো।"
কিন্তু একটু ভাবুন — গত বছরও কি এই কথাই মাথায় আসেনি? জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মার্চ, এপ্রিল, মে, জুন — বছরের অর্ধেক চলে গেছে। কোথায় গেল এই সময়?
আপনার সন্তান কিন্তু থেমে নেই। সে প্রতিদিন হয় এগোচ্ছে, নয়তো পিছাচ্ছে। মাঝামাঝি বলে কিছু নেই। আর আপনিও বুঝতে পারছেন — সে এখন পিছাচ্ছে।
হয়তো ভাবছেন — "ঠিক আছে, পরের মাস থেকে শুরু করাবো।" কিন্তু নতুন মাসও তো ইতিমধ্যে কিছুদিন পার হয়ে গেল। এভাবে ভাবতে ভাবতেই দিন চলে যায়।
✅ আপনাকে তেমন কিছুই করতে হবে না — শুধু একদিন অফিসে আসুন, ভর্তি করুন, চলে যান। সুতরাং — এখনই অ্যাকশন নিন। (আর যদি অনলাইনে পড়াতে চান, তাহলে শুধুমাত্র ফোনে কথা বলে বুকিং করুন।)
👇 যা বলার বলে দিলাম। এখন সন্তুষ্ট হলে নিচের যেকোনো একটা বাটনে টিপ দিয়ে এখনই বুকিং করুন।
আমার কাছে এমন ৬টা জিনিস আছে যেটা হয়তো বাংলাদেশের হাতে গোনা কিছু টিচারদের কাছে আছে
✓ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষক
✓ ৯+ বছরের অভিজ্ঞতা
✓ ৪টি পুস্তিকা + ২টি বইয়ের লেখক
একটা জিনিস বুঝুন:
১,৮৫,০০০+ কমার্স পরীক্ষার্থী ২০১৫ সালে এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল
⬇️
১,১৭২ জন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় C Unit-এ চান্স পেয়েছিল
⬇️
৩৪৬ জন বৃত্তি পেয়েছিল (আমি তাদের একজন)
এটা প্রশংসার জন্য না। বোঝানোর জন্য — ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বৃত্তিপ্রাপ্ত টিচার কয়জন পাবেন?
আমি শুধু পড়াই না — পুরো ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বইও লিখেছি:
এবং বড় ২টি বই হলো:
১) ইংলিশ শব্দার্থ শেখার জন্য "English Gamebook"
২) হিসাববিজ্ঞানের আর্থিক বিবরণী শিখার জন্য "মাত্র ৩ ধাপে দুর্বলদের আর্থিক বিবরণী"
📝 দ্রষ্টব্য: এই পুস্তিকাগুলো ছোট। বড় বইয়ের লিংক এখানে দেওয়া সম্ভব না কারণ পিডিএফ ভার্সন ইন্টারনেট ছড়িয়ে গেলে বই বিক্রি হবে না। অফিসে আসলে হয়তো সরাসরি বইগুলো দেখতে পারবেন।
কয়েকটি পুস্তিকা দেখতে টিপ দিন:
আমার শিক্ষকরা দেশসেরা। তাদের কাছ থেকে শিখেছি বলেই আজ আমি এত ভালো পড়াতে পারি:
✅ আদিব হোসেন স্যার — ২০০৬ সালে ঢাকা বোর্ডে ২য় স্থান অধিকারী
✅ মোহাম্মদ ফয়সাল স্যার — ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের admission test এর জন্য বিখ্যাত accounting বই "হিসাব বিচিত্রা" বইয়ের লেখক
✅ আব্দুল আজিজ স্যার — সারা বাংলাদেশে পরিসংখ্যানের উপর সবচেয়ে বেশি বিক্রয় হওয়া বইয়ের লেখক
✅ মোজাম্মেল হক মারুফ স্যার — Master Grammar, Master Paper সহ আরও ১৪টা বইয়ের লেখক
✅ বেল্লাল হোসেন (মানিক) স্যার — ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা এবং University of Mexico থেকে intern করে আমেরিকার Dallas, Texas শহরের Deloitte কোম্পানিতে Senior Consultant হিসেবে কর্মরত
এই মানের শিক্ষকদের কাছে Training পাওয়া — এটাই আমাকে আলাদা করে।
২০১৬ সাল থেকে পড়াচ্ছি। প্রায় ৯ বছর পার করে দিলাম পড়ানোর মধ্যেই। ইউনিভার্সিটিতে ঢুকার আগে থেকেই পড়াইতাম, ইউনিভার্সিটি চলাকালীন পড়াইলাম, ইউনিভার্সিটির পরেও পড়াচ্ছি😊। পড়ানো অনেকের জন্য আসলে নেশা, যদিও আমার জন্য এখনো সেরকম নেশা হয়ে উঠে নাই😢।
৯ বছরে শত শত ছাত্র-ছাত্রী পড়িয়েছি। তাদের সাফল্যই আমার আসল পরিচয়।
বেসিক যে কেমন পড়াই, তা তো আপনি আগেই দেখে নিয়েছেন উপরে আমার ছাত্র-ছাত্রীদের রিভিউতে। Foundation Recovery Program থেকে শুরু করে প্রতিটা chapter-এ বেসিক ক্লিয়ার করা আমার পদ্ধতির মূল ভিত্তি।
প্রতিটি topic শুরুর আগে বেসিক মাস্টারক্লাস → এটাই আমার সিগনেচার স্টাইল!
ভিডিওতে দেখুন আমি কীভাবে পড়াই এবং ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে কেমন interact করি
ভিডিও না দেখা গেলে এখানে ক্লিক করুন
আমার যা বলার ছিল, সব বলে দিলাম😊। এবার আপনি সন্তুষ্ট থাকলে নিচের বাটনে টিপ দিয়ে এখনও বুকিং করেন।
উত্তর:
নিচের বাটনে টিপ দিয়ে ফেসবুকে সকল ছাত্র-ছাত্রীর নিজ হাতে দেওয়া মতামত পড়ুন। বুঝতে পারবেন আমরা কত ভালো পড়াই যে একজন দুর্বল বাচ্চাও সহজে বুঝতে পারে।
এখন শুনুন সত্যিটা: ২/৩ দিন ফ্রি ক্লাস একটা স্ক্যাম। প্রথম ২/৩ দিন আমরা খুব ভালো করে পড়াবো, তারপর বেতন নেওয়ার পর দেখবেন সিরিয়াসনেস কমে গেছে। এরকম অনেক জায়গায় হয়।
তাই আমি আপনাকে আরও বড় সুযোগ দিচ্ছি:
আমরা এত বড় কথা বলতে পারি কারণ নিজের পড়ানোর উপর আত্মবিশ্বাস আছে 😊
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
আপনাকে আমাদের কাছে টাকা চাওয়ার জন্য আসতে হবে না। আপনি শুধু আমাদের ওয়েবসাইটে একটা ফর্ম ফিলাপ করবেন যেখানে আপনার বিকাশ নাম্বার/নগদ নাম্বার/ব্যাংক একাউন্টের নাম্বার দিবেন। অটোমেটিক ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আপনার টাকা পৌঁছে যাবে। কারণ আমরা জানি যে, যদি সরাসরি দেখা করে টাকা নিতে বলি তাহলে মানুষ আসতে লজ্জা করবে এবং নিজের টাকা ফেরত পাবে না।
আমরা ফোন দিয়ে আপনাকে একটা কথাও জিজ্ঞেস করব না যে, সন্তান কেন পড়তে চাচ্ছে না ইত্যাদি ইত্যাদি। কারণ আমরা টাকা ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়াকে অনেক সহজ করতে চাই। ফোন ইত্যাদি যদি দেই, তাহলে আপনি আবারও লজ্জায় পড়ে যাবেন।
আমরা ছেলে ও মেয়েদের ব্যাচ আলাদা পড়াই যেন ভবিষ্যতে কখনও এদের মাঝেমধ্যে কোনো প্রেম প্রীতি বা ভালোবাসার সুযোগ না হয়। কারণ আপনিও জানেন, জীবন ধ্বংস করার জন্য এই একটা জিনিস যথেষ্ট। যেই সন্তান আপনার অনুগত ছিল, সেই আপনার কথা শুনবে না যখন সে এইসব চক্করে পড়বে।
যাই হোক, মূল কথায় আসি।
📅 আমরা সাধারণত দুটো রুটিনে পড়াই:
এই দুটো রুটিনের মধ্যে কোন স্লটটা এখন খালি আছে — সেটা জানতে নিচের বাটনে টিপ দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে জিজ্ঞেস করুন অথবা সরাসরি কল দিন।
📱 হোয়াটসঅ্যাপে জিজ্ঞেস করুন 📞 কল করুন: 01949726992প্রতিটি ব্যাচে সর্বোচ্চ ১২ জন ছাত্র-ছাত্রী নেওয়া হয়। এতে প্রতিটি শিক্ষার্থীকে আলাদা মনোযোগ দেওয়া সম্ভব হয়।
💡 নিচের বেতন অনলাইন ও অফলাইন — উভয় ক্ষেত্রেই একই।
আপনার মাথায় আসতে পারে — অনলাইনের ক্ষেত্রে তো বেতন কম হওয়া উচিত ছিল! কিন্তু না। কারণ, অনলাইন ও অফলাইন — দুই ক্ষেত্রেই আমরা সর্বোচ্চ মাত্র ১২ জন শিক্ষার্থী নিই। যেখানে অফলাইনে অনেক কোচিং একটা রুমে ত্রিশ-চল্লিশ জন বাচ্চা পড়িয়ে অনেক বেশি ইনকাম করে, আমরা সেখানে মাত্র ১২ জন পড়াই।
অনলাইনেও একই কথা — মোবাইল/ভিডিও কলে চাইলে একসাথে ত্রিশ-চল্লিশ-পঞ্চাশ জনকে পড়ানো সম্ভব, কিন্তু আমরা সেটা করি না, কারণ আমরা প্রতিটা বাচ্চার সার্ভিস ও মান ঠিক রাখতে চাই। বরং অনলাইনে পড়াতে পরিশ্রম আসলে আরও বেশি লাগে। এই কারণেই আমাদের অনলাইন ও অফলাইনের বেতন সমান।
উত্তর:
সুন্দর প্রশ্ন। একটাই ছোট্ট শর্ত আছে যে, ৮০% উপস্থিতি থাকতে হবে। আর কিছু না, ব্যাস।
ছাত্র ৮০% উপস্থিত থাকার পরও এক মাস পরে পড়া দ্বারা সন্তুষ্ট না হলে সম্পূর্ণ বেতন, ভর্তি ফি ইত্যাদি সব ফেরত পাবেন আপনি।
সম্পূর্ণ ঠিকানা:
৩৩/১১, তাজমহল রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা - ১২০৭
কীভাবে খুঁজে পাবেন:
কেন্দ্রীয় কলেজ থেকে ২ মিনিটের ব্যবধানে (কেন্দ্রীয় কলেজের সামনে এসে যে কাউকে জিজ্ঞেস করলেই হবে যে, "বঙ্গবন্ধু মাঠ" কোনদিকে। সেই মাঠের সাথেই আমাদের প্রতিষ্ঠান)
↑ এই বিল্ডিংয়ে আমাদের প্রতিষ্ঠান অবস্থিত
বিল্ডিং এর ছবি দেখে সহজেই চিনতে পারবেন
সিট/ টাইমিং স্লট শেষ হওয়ার আগেই নিজের সন্তানের জন্য মাত্র ৩০০ টাকা বিকাশে পাঠিয়ে হলেও বুকিং করে নেন