সিট বুকিং করাতে এখানে টিপ দিয়ে WhatsApp করুন
মেসেঞ্জারে কথা বলতে এখানে টিপ দেন
WhatsApp এ কথা বলতে এখানে টিপ দেন
সরাসরি ফোন কলে কথা বলতে এখানে টিপ দেন
💬 কিছু জানতে
যোগাযোগ করুন

⚠️ আপনার সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে Experiment করার সময় নেই!

৬ লক্ষ ৬৬০
ছাত্র-ছাত্রী ফেল করেছে গত বছর এসএসসিতে
৩১.৫৫%
ফেলের হার — প্রতি ৩ জনে ১ জন ফেল!
মাত্র ৭%
GPA 5 পেয়েছে — ৯৩ জন A+ এর চেহারাও দেখেনি!

আপনার সন্তান সেই ৯৩ জনের মধ্যে থাকবে এটা তো খুব স্বাভাবিক বিষয় — যদি আপনি সিরিয়াস না হন।

এখন আপনি ভাবতে পারেন যে, সে তো সবেমাত্র ক্লাস ১০-এ উঠেছে, এখনও এসএসসি পরীক্ষা অনেক দূরে। এখনই কি সিরিয়াস হতে হবে?? কিছুদিন পর সিরিয়াস হবো নে। তাহলে চলেন আপনাকে ছোট্ট গল্প বলি। একদম সত্য ঘটনা। আমার সাথে ঘটা।

📖 ঢাকা রেসিডেনসিয়ালের ছাত্র - সৌমিকের গল্প

আমি সৌমিক নামক রেসিডেনসিয়ালের এক ছেলেকে পড়াতাম, তার বাবা তার হাতে বাল্যকালেই ডিকশনারি দিয়ে প্রতিদিন ৫/১০ টা শব্দার্থ মুখস্থ করতে দিতেন। সম্ভবত ক্লাস ৩ তে।

এখন একটু ভাবেন, প্রতিদিন ৫টা করে পড়লেও ক্লাস ৬ পর্যন্ত প্রায় ৩ বছরে সে "১,০৯৫ দিন × ৫টা শব্দার্থ = ৫,৪৭৫টা শব্দার্থ" তার হয় মুখস্থ বা রিভিশন হয়ে গিয়েছে। সে যদি অলসতার কারণে মাঝে মধ্যে নাও পড়ে থাকে, তারপরও তো ৩,০০০ শব্দার্থ আশা করি সে রিভিশন দিয়ে নিয়েছে। এটাতো ছিল ক্লাস ৬ পর্যন্ত হিসাব কিন্তু আপনার সন্তান তো এখন ক্লাস ১০-এ। সেই হিসেবে সৌমিকের মত ছাত্ররা আপনার সন্তান থেকে কত এগিয়ে আর আপনার সন্তান কত পিছিয়ে - সেটা আপনিই ভাবুন।

এখন আপনি বলেন, আপনি কি এই কাজ করেছেন??

যদি উত্তর আসে "না" তাহলে তো আপনি এমনিতেই নিজের সন্তানকে পিছিয়ে রেখেছেন। তার মধ্যে এখন ভাবছেন যে, এসএসসি অনেক দেরি। এভাবে তাকে আরও পিছিয়ে দিবেন।

মনে রাখবেন, ভবিষ্যতে career গড়ার সময় প্রতিযোগী হিসেবে কিন্তু সৌমিকের মত ছাত্ররাই আপনার সন্তানের বিরুদ্ধে আসবে। আমি আপনার সন্তানকে কোনো প্রেসার দিতে বলছি না। কিন্তু আপনি এখনো কি অবহেলা করবেন😢😢?

আরেকটা মজার কথা কি জানেন? সৌমিকের বাবা একজন ডিম বিক্রেতা। গত ৩/৪ দিন আগেও দেখলাম যে ভ্যান গাড়িতে ডিম উঠাচ্ছিলেন।

একজন ডিম বিক্রেতা হয়ে উনি নিজের বাচ্চার জন্য যেরকম mindset রেখেছেন এবং যেরকম অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করেছেন, তা আপনাকেও করতে হবে।

আরেকটা মজার বিষয় কি জানেন? সৌমিক WhatsApp-এ আমাকে জানালো যে সে নাকি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেয়েছে।

এবার আপনার উপর সব ছাড়লাম যে, এখনোও কি সিরিয়াস হবেন না।

💭 আপনার মাথায় আসতে পারে এমন চিন্তা

"আচ্ছা গুরুত্ব বুঝলাম। এখন থেকেই সিরিয়াস হওয়া উচিত। তবে এই মাস যাক, পরের মাস থেকে বা কয়েকদিন পর থেকে বাচ্চার পড়াশোনা নিয়ে একটু সিরিয়াস হবো।"

তাহলে শুনেন — এটাও হবে আপনার বোকামি।

জানুয়ারি
বই পাই না + স্কুলের খেলাধুলা (পড়তে পারেনি)
ফেব্রুয়ারি
ভোট + নির্বাচন + রমজান শুরু (পড়তে পারেনি)
মার্চ
রমজান + ঈদ — ঠিকমতো পড়তে পারেনি
এপ্রিল
স্কুল খুলতে না খুলতেই পরীক্ষা শুরু
মে
কুরবানির ঈদের ছুটি + এসএসসি পরীক্ষা চলার কারণে school বন্ধ ছিল
জুন
হঠাৎ করে জুন মাস চলে আসলো — এ মাসে তার প্রি-টেস্ট পরীক্ষা

তাহলে বাচ্চা পড়ল কখন?

যদি বাচ্চা পড়ার সুযোগই না পেয়ে থাকে, তাহলে সামনের প্রি-টেস্ট পরীক্ষায় সে কীভাবে ভালো রেজাল্ট করবে? January থেকে June মাস পর্যন্ত পড়ার সুযোগ তা হয়তো সে পায় নাই।

এখন এভাবে যদি চলতে থাকে, তাহলে হবে তিনটা জিনিস —

১. প্রি-টেস্ট পরীক্ষায় রেজাল্ট খারাপ হবে

ক্লাস টেনে নতুন উঠল, জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মার্চ, এপ্রিল ইত্যাদি দেখতে দেখতেই চলে গেল। হুট করে প্রি-টেস্ট, টেস্ট পরীক্ষা দিয়ে দেওয়ার কারণে সে কিন্তু ঠিকমতো পড়ার সুযোগই পাবে না। তাহলে কী তার রেজাল্ট হবে আপনি বুঝেন।

২. তার আত্মবিশ্বাস ভেঙে যাবে

৩. সে নিজেকে "খারাপ স্টুডেন্ট" ভেবে বসবে

সে মনে করবে — "আমি তো খারাপ স্টুডেন্ট, আমার দ্বারা ভালো রেজাল্ট হবে না। এটাই স্বাভাবিক।"

একবার যদি সে নিজের মাথায় এটা বসিয়ে নেয় যে সে একজন নরমাল বা এভারেজ স্টুডেন্ট — তাহলে আমি কে, আর আপনি কে? কেউই তাকে আর পড়াশোনায় তেমন মনোযোগী করতে পারব না। ফলে তার এসএসসি পরীক্ষাও খারাপ হবে এবং ভবিষ্যত হবে অন্ধকার।

★ আমি নিজের ঘটনা বলি —

আমি ছোটবেলায় এক স্কুলের ফার্স্ট বয় ছিলাম। কিন্তু যখন অন্য স্কুলে গেলাম, ভালো ছাত্রদের মাঝে আমার রেজাল্ট অনেক পিছিয়ে গেল। তখন আমি নিজেকে ভেবেই নিলাম — "আমি তো একজন নরমাল, এভারেজ স্টুডেন্ট।"

জেএসসি পরীক্ষায় আমি ৪.০০ পেয়ে খুশি ছিলাম। কারণ আমি নরমাল স্টুডেন্ট — নরমাল হিসেবে তো ভালোই পেয়েছি, তাই না? কিন্তু আমি সেই মানুষ, যে পরে এসএসসিতে শুধুমাত্র এক সাবজেক্টে A+ মিস হওয়ার কারণে গোল্ডেন মিস হওয়ায় কান্না করেছিলাম!

ক্লাস ৯-এর প্রথম সাময়িকে তিন সাবজেক্টে ফেইল করলাম। কিন্তু আমি সিরিয়াস নিইনি — "আমি তো এভারেজ স্টুডেন্ট, এগুলো হবেই।" তারপর দ্বিতীয় সাময়িকে কীভাবে জানি সব বিষয়ে পাস করে ক্লাসে দ্বিতীয় হয়ে গেলাম।

তখন একটাই চিন্তা মাথায় এলো — "আমি তো আসলে ভালো ছাত্র!" একবার এটা মাথায় ঢোকার দেরি ছিল। তৃতীয় সাময়িকে ফার্স্ট। ক্লাস ১০-এও ফার্স্ট। এসএসসিতে A+। এবং শুধু একটা সাবজেক্টে A+ মিস হওয়ায় গোল্ডেন মিস হওয়ায় কাঁদলাম।

সুতরাং আমি নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি — একবার বাচ্চার মাথায় ঢুকে যায় "আমি নরমাল, এভারেজ স্টুডেন্ট" — তখন সে তেমন পড়ে না, কারণ খারাপ ফলাফলকে সে স্বাভাবিক মনে করে। এটা হতে দিবেন না। এটা অনেক বড় রোগ। তাও যদি না বোঝেন, এবার আপনি নিজে বুঝুন।

সন্তান আপনার, ভাববেন আপনি, আমি কেন এগুলো আপনাকে মনে করাবো, কিছু মনে করবেন না, সন্তান নিয়ে কি আপনার টেনশন নাই।

আমি প্রাইভেট ব্যাচ পড়াই, আমি পড়ালে টাকা পাই, আমি নিজের টাকার জন্য এত ভাবতে পারি, ভেবে আপনাকে মনে করাতে পারি, তাহলে আপনি নিজের সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য কেন এগুলো ভাবেন নাই।

যাই হোক, আপনি যদি নিজের সন্তানের ভবিষ্যৎ/রেজাল্ট এরকম মারাত্মক হওয়া থেকে বাঁচাতে চান, তাহলে

😷 করোনা মহামারি 📚 নতুন কারিকুলাম ✊ জুলাই আন্দোলন 🏛️ সরকার পতন 🔄 শিক্ষা ব্যবস্থায় আপডেট

এত এত কারণে গত ৫ বছরে
আপনার সন্তানের পড়াশোনার ভিত্তি
হয়তো পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে

করোনা, নতুন কারিকুলাম, জুলাই আন্দোলন, সরকার পতন, ইউনুস সরকারের আগমন — একের পর এক ধাক্কায় আপনার সন্তানের পড়াশোনার মধ্যে অনেক বড় বড় সমস্যা চলে এসেছে। এই সমস্যাগুলো কী এবং কীভাবে সমাধান করা যায় — সেটা জানতে নিচে পড়ুন।

👇 আপনার সন্তানের কি এই সমস্যাগুলো আছে? যদি একটিও থাকে — এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে
😰

সমস্যা-১: বিগত ৫ বছরের পড়াশোনার ভয়াবহ ঘাটতি

একটু ভাবুন।

করোনার সময় স্কুল বন্ধ ছিল। অনলাইন ক্লাস হয়েছিল — কিন্তু সেটা কি সত্যিকারের পড়াশোনা ছিল? বাচ্চা স্ক্রিনের সামনে বসে থেকেছে, কিন্তু মাথায় কিছু ঢোকেনি।

তারপর এলো নতুন কারিকুলাম। গ্রুপ স্টাডি, অ্যাসাইনমেন্ট, প্রেজেন্টেশন — পরীক্ষা নেই, চাপ নেই, পড়াশোনাও নেই।

তারপর এলো জুলাই আন্দোলন, সরকার পতন, সিলেবাস চেঞ্জ।

একের পর এক ধাক্কা।

এখন একটু হিসাব করুন। আপনার সন্তান এই ৫টা বছরে আসলে কতটুকু পড়েছে? বেসিক অঙ্কগুলো কি ঠিকমতো বুঝেছে? ইংরেজির গ্রামার কি কেউ বুঝিয়ে দিয়েছে?

সৎভাবে উত্তর দিন — পেরেছে?

এই ৫টা বছরের ঘাটতি এখন একসাথে চাপা পড়েছে আপনার সন্তানের ঘাড়ে। সে চেষ্টা করছে, কিন্তু ভিত্তিটাই নেই — তাই এগোতে পারছে না।

এটা তার দোষ না। এটা সময়ের দোষ।

⏰ কিন্তু সময় এখন আর নেই।
😱

সমস্যা-২: গণিত দেখলেই ভয় — মাথায় ঢোকে না

"আম্মু, আমি চেষ্টা করি কিন্তু পারি না।"

এই কথা শুনে আপনার বুক ফেটে যায়, তাই না? আপনার মেধাবী সন্তান গণিত দেখলেই ভয় পায়। বীজগণিত, ত্রিকোণমিতি, জ্যামিতি — সব কঠিন লাগে।

আসল সমস্যা কী?

  • বেসিক ক্লিয়ার নেই — শিক্ষকরা সরাসরি চ্যাপ্টার শুরু করে দেয়, ভিত্তি তৈরি করে না
  • ত্রিকোণমিতি, জ্যামিতি — সব কঠিন লাগে কারণ বেসিক শেখানো হয়নি
  • ঘুরানো প্রশ্ন — পরীক্ষায় একটু ভিন্নভাবে আসলেই আটকে যায়
ফলে পরীক্ষায় ফেল বা খারাপ Marks। আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলছে। "আমি বোকা" মানসিকতা তৈরি হচ্ছে।
📝

সমস্যা-৩: বইয়ের অংক পারলেও পরীক্ষার Hall-এ ঘুরিয়ে দিলে আর পারে না

এটা আরও বিপজ্জনক! আপনার সন্তান বাসায় অংক করতে পারে। কিন্তু পরীক্ষায় একই অংক একটু ভিন্নভাবে আসলেই — সম্পূর্ণ blank!

  • বইয়ের অংক মুখস্থ করে ফেলেছে — বুঝেনি
  • শিক্ষক শুধু একভাবে শেখায় — ঘুরিয়ে দেখায় না
  • পরীক্ষায় নতুন ধরনের প্রশ্ন দেখে মাথা গরম হয়ে যায়
  • আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলে — বাকি প্রশ্নও ভুল হয়
এই কারণে অনেক "ভালো ছাত্র" পরীক্ষায় খারাপ করে। কারণ তারা শিখেছে না — মুখস্থ করেছে।
📚

সমস্যা-৪: ইংরেজি গ্রামারে অনেক দুর্বল

Right Form of Verb, Tag Question, Transformation — এসব দেখলেই মাথা ঘুরে যায়।

  • শত শত rules মুখস্থ করতে বলে — কিন্তু বুঝিয়ে দেয় না কীভাবে সহজে মনে রাখবে
  • গ্রামারে প্রচণ্ড ভয় — ইংরেজির বেসিক খারাপ বলে
  • পরীক্ষায় blank থেকে যায় — মুখস্থ ভুলে গেলে কিছুই লিখতে পারে না
ফলে ইংরেজিতে marks কম আসে। ভবিষ্যতেও ইংরেজি ভয় থেকে যায়। এমনকি চাকরিতেও সমস্যা হয়।
✍️

সমস্যা-৫: ইংরেজি নিজে থেকে বানিয়ে লিখতে পারে না

সবচেয়ে ভয়ংকর সমস্যা! আপনার সন্তান paragraph মুখস্থ করে লেখে। নিজে বানিয়ে এক লাইনও লিখতে পারে না।

  • সব টিচার শুধু গ্রামার পড়ায় — কিন্তু "কীভাবে লিখবে" শেখায় না
  • বাচ্চারা মুখস্থ করে — কিন্তু নতুন টপিক এলে ফাঁকা থাকে
  • কেউ step by step শেখায় না — idea থেকে sentence, sentence থেকে paragraph
ফলে পরীক্ষায় নতুন টপিক এলে ফাঁকা থেকে যায়। মুখস্থ করা paragraph দিয়ে কাজ হয় না।
🙊

সমস্যা-৬: সবার সামনে প্রশ্ন করতে লজ্জা পায় — না বুঝেই চুপ থাকে

এটা খুবই সিরিয়াস সমস্যা। আপনার সন্তান ক্লাসে কিছু বুঝছে না, কিন্তু প্রশ্ন করছে না।

  • ৪০-৫০ জনের ক্লাস — সবার সামনে প্রশ্ন করতে লজ্জা লাগে
  • "আমি বোকা" ভাববে অন্যরা — এই ভয়ে চুপ থাকে
  • শিক্ষক খেয়াল করে না — কে বুঝছে, কে বুঝছে না
  • পিছিয়ে পড়তে থাকে — দিন দিন gap বাড়ে
ফলে সারা বছর "আছে আছে" বলে চলে যায়। পরীক্ষার সময় বুঝতে পারে কিছুই শেখেনি।

⚠️ আরও কিছু সমস্যা যা আপনি হয়তো টের পাচ্ছেন না:

  • ⏰ পড়ার ধৈর্য নেই: লম্বা সময় পড়ার টেবিলে বসতে পারে না। ৩০ মিনিট পর মনোযোগ নষ্ট হয়ে যায়। Concentrate করতে পারে না। মোবাইল, গেম, YouTube-এ মন বেশি থাকে।
  • 📉 প্রাইভেট/কোচিং/স্কুলে পড়েও কোনো উন্নতি নেই: ৬ মাস, ১ বছর ধরে প্রাইভেট পড়ছে কিন্তু রেজাল্টে কোনো পরিবর্তন নেই। শিক্ষক পড়ান কিন্তু বাচ্চা বুঝে না। টাকা খরচ হচ্ছে কিন্তু লাভ নেই। হতাশা বাড়ছে।
  • 👥 স্কুলে ৪০/৫০ জনের ক্লাস: আজকাল বিভিন্ন কোচিং প্রতিষ্ঠান বেশি টাকা উপার্জন করার জন্য ২০/৩০ জন পর্যন্ত নিয়ে নেয়। এত বড় ব্যাচে শিক্ষক সবাইকে সমান গুরুত্ব দিতে পারেন না। দুর্বল ছাত্ররা পিছিয়ে পড়ে। ভিড়ে আপনার সন্তান হারিয়ে যায়।
  • 🔄 একই ভুল বারবার করে: একবার ভুল করলো, শিখলো না। আবার পরেরবার একই ভুল। কোথায় ভুল হচ্ছে নিজেও বুঝতে পারে না। কেউ ধরিয়ে দেয় না। ভুলের pattern চিহ্নিত হয় না।
  • ❓ আপনি জানেন না আপনার সন্তান আসলে কতদূর এগিয়েছে: কোনো রিপোর্ট নেই, কোনো accountability নেই। শিক্ষক বলেন "ভালো আছে" কিন্তু পরীক্ষায় খারাপ রেজাল্ট। আসলে কী হচ্ছে জানার উপায় নেই। Progress track করার কোনো সিস্টেম নেই।
  • 😔 "আমি বোকা, আমি পারব না" মানসিকতা: বারবার fail করার পর আত্মবিশ্বাস শূন্য হয়ে গেছে। "আমার দ্বারা হবে না" এই ধারণা মাথায় ঢুকে গেছে। চেষ্টা করার আগ্রহই হারিয়ে ফেলেছে। নিজেকে অন্যদের থেকে কম মনে করে।

আপনার সন্তানের কি এই সমস্যাগুলো আছে?

যদি এগুলোর মধ্যে একটিও থাকে তাহলে এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে। নিচে পড়ুন — আমরা কীভাবে এই সমস্যাগুলোর সমাধান করি।

✅ আমাদের সমাধান

আমরা কীভাবে এই সমস্যাগুলোর সমাধান করি?

প্রতিটি সমস্যার জন্য আমাদের কাছে সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি আছে — শুধু কথায় নয়, প্রমাণসহ

সমস্যা-১ এর সমাধান

বিগত ৪ বছরের পড়াশোনার ঘাটতি → অধ্যায়-ভিত্তিক বেসিক ফার্স্ট পদ্ধতি

সত্যি কথা যদি বলি — অন্য বিজ্ঞাপনদাতাদের মতো মিথ্যা আশা দেব না। চার বছরের পড়াশোনার ঘাটতি এখন পুরোপুরি মেটানো সম্ভব না। সামনেই পরীক্ষা, সময় হাতে নেই।

কিন্তু হ্যাঁ, একটা কাজ করা যায় — এবং এই কাজটাই আসল পার্থক্য তৈরি করে।

আমরা যা করি — প্রতিটি অধ্যায় শুরু করার আগে, সেই অধ্যায়ের সাথে সম্পর্কিত বেসিক বিষয়গুলো ভালো করে বুঝিয়ে দিই। যেন অধ্যায়টা পড়তে বসলে বাচ্চা কোথাও আটকে না যায়, বরং সহজে বুঝতে পারে।

এই পদ্ধতিতে চার বছরের সম্পূর্ণ ঘাটতি কভার হোক বা না হোক — ওই অধ্যায়টা বুঝতে তার কোনো সমস্যা হবে না। এবং এভাবেই অধ্যায়ের পর অধ্যায় পার করে সে পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করবে।

👇 আমি বেসিক কীভাবে পড়াই, সেটা আরও বিস্তারিত জানতে পারবেন নিচে সমস্যা-২ এর সমাধানে। এখনই দেখুন।

🌟 স্টুডেন্টের রিভিউ — নিজের মুখে শুনুন

"Apnr pora ek kothai best … Apni Full basic theke bujhan pora ei jnno apnr chara onno kothaw pora bujtey e pari nah 2019 e theke 2023 pjnto apnr kacce E porse Allahmdulilah SSC and HSC vlw e result korty parse apnr obodan onk"

— Mim Ali, শেরে বাংলা কলেজ

🔗 রিভিউ প্রমাণ দেখুন →
সমস্যা-২ এর সমাধান

গণিত দেখলেই ভয় → Basic-First Approach

আমরা কোনো Chapter শুরুর আগেই সেই Chapter-এর সব Basic Concepts একদম পরিষ্কার করে দিই।

কেন এটা গুরুত্বপূর্ণ?

প্রশ্নের শব্দ ক্লিয়ার না থাকলে প্রশ্নই বুঝবে না। প্রশ্ন না বুঝলে উত্তর কীভাবে পারবে?

উদাহরণ দেখুন:

"একটি ৫০ মিটার উঁচু দালানের ছাদ থেকে ভূতলস্থ একটি বিন্দুর অবনতি কোণ ৩০°। ওই বিন্দুর দালান থেকে দূরত্ব কত?"

আপনার সন্তান পড়ছে এই প্রশ্ন। কিন্তু: ভূতলস্থ বিন্দু মানে কী? অবনতি কোণ আবার কী? দূরত্ব বলতে কোন দূরত্ব — উল্লম্ব নাকি অনুভূমিক? শব্দগুলোই clear না। তাহলে অংক করবে কীভাবে?

আমরা কী করি? প্রতিটি Chapter শুরুর আগে একটি "Basic Masterclass" করি। সেই Chapter-এর সব Important শব্দ, Concept ভালো করে বুঝাই। পাদবিন্দু, ভূতলস্থ বিন্দু, উন্নতি কোণ, অবনতি কোণ, অতিভুজ, লম্ব, ভূমি — সব শব্দ clear করি।

🌟 স্টুডেন্টের রিভিউ

"স্যার, আপনি আমাদের সকল বিষয় অনেক বেসিক থেকে বুঝিয়ে দেন, যা পড়াশোনার জগৎকে অনেক সহজ করে তুলে। এর কারণেই যেকোনো ধরনেরই স্টুডেন্ট হোক, সে একটি ভালো ফলাফল অর্জন করতে সক্ষম হয় এবং নিজের জীবনকে সফলতার দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়।"

— মেহতাব আলী, বাদশাহ ফয়সাল স্কুল এন্ড কলেজ

🔗 রিভিউ প্রমাণ দেখুন →
সমস্যা-৩ এর সমাধান

পরীক্ষায় ঘুরিয়ে দিলে পারে না → বেশি বেশি প্র্যাকটিস + সঠিক বই

ঘুরানো প্রশ্নের সামনে টিকে থাকতে হলে একটাই পথ — বেশি বেশি প্র্যাকটিস। যত বেশি বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন দেখবে, তত বেশি পরীক্ষার হলে যেকোনো ঘুরানো প্রশ্ন নিজে সলভ করতে পারবে।

কিন্তু প্রশ্ন হলো — এত বেশি প্র্যাকটিস করবে কোথা থেকে?

আপনি ভাবতে পারেন: লেকচার বা পাঞ্জেরী গাইড নিলেই তো অনেকগুলো সৃজনশীল প্রশ্ন পাওয়া যাবে। কিন্তু এখানে দুটো বিষয় মাথায় রাখতে হবে —

ভালো প্র্যাকটিস বইয়ে যা থাকা দরকার:

১. প্রশ্নের সংখ্যা বেশি হতে হবে — প্রতিটি অধ্যায়ে যত বেশি প্রশ্ন, তত বেশি প্র্যাকটিস।

২. প্রশ্নের মান উন্নত হতে হবে — গাইডের নিজস্ব বানানো প্রশ্নের চেয়ে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বোর্ডের প্রশ্ন অনেক বেশি কার্যকর। কারণ ওখানে বিভিন্ন শিক্ষকের বিভিন্ন মাথা কাজ করেছে — প্রশ্নের ধরন আলাদা, চিন্তার কোণ আলাদা।

এই দুটো গুণ একসাথে পাওয়া যায় এমন বই খুঁজে বের করা কার কাজ? বেশিরভাগ শিক্ষক এই কষ্ট করেন না। কিন্তু আমরা করেছি।

মার্কেটে ঘুরে ঘুরে বই নিয়ে গবেষণা করে আমরা এমন একটা গাইডের সন্ধান পেয়েছি যেটা দেখলে আপনি অবাক হবেন — 📖 দোলনা গাইড

এটা কোনো লেকচার, পাঞ্জেরী বা অন্য কোনো পরিচিত কোম্পানির গাইড না। এটা একটা ইউনিক গাইড, যারা প্রশ্নের ক্ষেত্রে একটা বিপ্লব এনেছে।

উদাহরণ দিই: শুধু ত্রিকোণমিতি অধ্যায়ের উপরেই এই গাইডে আছে প্রায় ১৬১টি সৃজনশীল প্রশ্ন — এবং সবগুলো কোনো না কোনো বোর্ড, স্কুল বা কলেজের প্রশ্ন। গাইডের নিজস্ব বানানো একটাও না।

এখন আপনি যেকোনো গাইড খুলে দেখুন — ত্রিকোণমিতির উপর ১৬১টি সৃজনশীল প্রশ্ন পাবেন কি?

১৬১টা প্রশ্ন মানে ১৬১ জন শিক্ষকের ১৬১টা মাথা ব্যবহার হয়েছে। এত বৈচিত্র্যময় প্রশ্নের প্র্যাকটিস যে ছাত্র করবে, পরীক্ষার হলে তাকে আর আটকানো কঠিন।

আমরা আমাদের ছাত্রছাত্রীদের এই বইটি কিনতে উৎসাহ দিই এবং এটি ফলো করে পড়াই। অন্য কোচিংয়ে হয়তো এই বইয়ের কথাই জানে না, বা নিজেদের শিট ধরিয়ে দেয়।

📌 একটু বলে রাখি — আমরা কিন্তু বলছি না যে আপনার সন্তানকে ১৬১টি প্রশ্ন সব করতেই হবে। এত প্রশ্ন একজন বাচ্চার পক্ষে করা সম্ভবও না, করতে চাইবেও না — এবং এতে ভয় পাওয়াটাই স্বাভাবিক। আমরা আসলে বোঝাতে চাইছি যে এত বড় একটা কালেকশন থেকে সে যেটা ইচ্ছা, যেটা ভালো লাগে, সেটাই বেছে নিয়ে প্র্যাকটিস করুক — তাতেই সে অনেক কিছু শিখবে।

ফলাফল: পরীক্ষায় যেভাবেই প্রশ্ন ঘুরিয়ে আসুক — আপনার সন্তান পারবে।

সমস্যা-৪ এর সমাধান

ইংরেজি গ্রামারে দুর্বল → ইংরেজি গ্রামার - আর ভয় নয়

গ্রামার মানে শত শত rules মুখস্থ? না! আমার কাছে গ্রামার মানে ১ পৃষ্ঠা!

কীভাবে সম্ভব? আমি ইংরেজি শেখানোর জন্য এতটাই serious যে ২টি সম্পূর্ণ বই লিখেছি। একটা বেসিক ইংরেজির উপর, আরেকটা রাইটিং এর উপর। কিন্তু আসল জাদু হলো - আমি জটিল গ্রামার টপিকগুলোকে ১ পৃষ্ঠায় নিয়ে আসি।

Right Form of Verb - ৬৪+ rules নাকি ১ পৃষ্ঠা? অন্য টিচাররা ৬৪+ rules মুখস্থ করতে বলে। আমি? মাত্র ১ পৃষ্ঠা! এই ১ পৃষ্ঠা দিয়েই Right Form of Verb এর ৯৫% সমস্যা solve হয়ে যায়।

📄 শিট দেখুন — নিজেই বিশ্বাস করুন
Right Form of Verb (১ পৃষ্ঠা) → Tag Question Sheet → বেসিক ইংলিশ (১ পৃষ্ঠা) →
🌟 স্টুডেন্টের রিভিউ

"ইংরেজি গ্রামার আপনার কাছে বুঝে পানির মতই লাগতো। আমি নিজেও এখন টেকনিক গুলো ফলো করে পড়াই আপনি যে টেক্নিক দিয়ে পড়াতেন। গ্রামার মানেই সবাই বুঝে শত শত রুলস মুখস্থ করা, কিন্তু আপনি যেভাবে পড়াইতেন তাতে রুলস মুখস্থ ছাড়াও গ্রামার এর এসেন্স টা বুঝতে পারতাম। ধন্যবাদ আপনাকে।"

— রায়হান খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (পূর্বে ঢাকা কলেজ)

🔗 রিভিউ প্রমাণ দেখুন →
সমস্যা-৫ এর সমাধান

ইংরেজি নিজে থেকে লিখতে পারে না → মুখস্থ নয়, বুঝে লিখুন

এটাই সবচেয়ে বড় সমস্যা - এবং আমিই একমাত্র এটা শেখাই!

সত্য কথা: আপনার সন্তান paragraph মুখস্থ করে লেখে। নিজে বানিয়ে লিখতে পারে না। কেন? সব টিচার শুধু গ্রামার পড়ায় - কিন্তু "কীভাবে লিখবে" শেখায় না। বাচ্চারা মুখস্থ করে - কিন্তু নতুন টপিক এলে ফাঁকা থাকে। কেউ step by step শেখায় না - idea থেকে sentence, sentence থেকে paragraph।

আমার পদ্ধতি আলাদা: আমি পুরো একটা কোর্স বানিয়েছি "কীভাবে নিজে থেকে ইংরেজি লিখবে" এর উপর। এবং এর উপর একটা সম্পূর্ণ বই লিখেছি।

কীভাবে শেখাই?

Step 1: Topic দেখে কীভাবে idea বের করবে
Step 2: Idea থেকে কীভাবে sentence বানাবে
Step 3: Sentence গুলো কীভাবে connect করবে
Step 4: কীভাবে paragraph শেষ করবে

ফলাফল? আপনার সন্তান যেকোনো টপিকে নিজে থেকে লিখতে পারবে। মুখস্থ করতে হবে না!

🌟 স্টুডেন্টের রিভিউ

"আমি এই কোর্স এর মাধ্যমে নিজে থেকে ইংলিশ বানিয়ে লিখতে শিখে গেছি এবং লেখার সময় গ্রামার ঠিক রাখা খুবই easly শিখতে পেরেছি । আর এটা করতে গিয়ে আমার অনেকটা গ্রামারও শেখা হয়েগেছে । الحمد لله"

— মোহাম্মদ নাভিদ হোসাইন, মোহাম্মদপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র

🔗 WhatsApp রিভিউ প্রমাণ দেখুন →
সমস্যা-৬ এর সমাধান

লজ্জায় প্রশ্ন করে না → মাত্র ১২ জনের ছোট ব্যাচ

বড় ব্যাচে কী সমস্যা? ৫০ জনের মধ্যে দুর্বল Student হারিয়ে যায়। শিক্ষক দেখতে পারেন না কে বুঝছে, কে বুঝছে না। লজ্জায় প্রশ্ন করতে পারে না। পিছিয়ে থাকলেও কেউ খেয়াল করে না।

আমাদের ১২ জনের ব্যাচে:

প্রতিটা ছাত্রকে আলাদাভাবে দেখা সম্ভব — কে বুঝলো, কে বুঝলো না সব জানা সম্ভব। দুর্বল ছাত্রকে আলাদা সময় — প্রতিদিন ক্লাসের পর আমি হাতে ১৫/২০ মিনিট রাখি "দুর্বলদের আলাদা সাপোর্ট সেশন" নামে। প্রশ্ন করতে পারে — ছোট ব্যাচ, লজ্জা কম। Individual attention — প্রতিটা Student-এর Progress Track করা সম্ভব।

এই কারণেই আমরা ১২ জনের বেশি নিই না। Quality Compromise করতে চাই না।

✅ সমাধান দেখলেন তো? এখন পদক্ষেপ নিন!

মনে রাখবেন — এটা গতানুগতিক কোনো কোচিং সেন্টার না।
এটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বৃত্তি পাওয়া ছাত্রের প্রাইভেট ব্যাচ যেখানে আপনার সন্তান এই সুন্দর পদ্ধতি পাবে।

সিট/ টাইমিং স্লট শেষ হওয়ার আগেই নিজের সন্তানকে ভর্তি করান। নাহলে পরে ধরা খেতে পারেন। আপনি অফিসে এসে সরাসরি পরিবেশ দেখে ভর্তি হবেন, কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু কমপক্ষে ৩০০ টাকা বিকাশে পাঠিয়ে বুকিং করে রাখেন।

এখনই সন্তানকে ভর্তি করান — নিচের বাটনে টিপ দিয়ে WhatsApp করুন 👇

📱 সিট বুকিং করাতে এখানে টিপ দিয়ে Whatsapp করুন

⚠️ যদি আপনি নিজের সন্তানকে ইতিমধ্যে অন্য কোনো কোচিং এ ভর্তি করিয়ে ফেলেছেন
তাহলে আপনার জন্য একটা বিশেষ ব্যবস্থা আছে!

কেন আমার কাছে পড়বেন?

আমার কাছে এমন ৬টা জিনিস আছে যেটা হয়তো বাংলাদেশের হাতে গোনা কিছু টিচারদের কাছে আছে

মো: সাজিদ আলী

সাজিদ আলী আত্তারি

✓ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষক

✓ ৯+ বছরের অভিজ্ঞতা

✓ ৪টি পুস্তিকা + ২টি বইয়ের লেখক

🌟 ৬টি কারণ যা আমাকে আলাদা করে

১. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তিপ্রাপ্ত

২. ছাত্র-ছাত্রীদের সাফল্য

৩. ৪টি ছোট পুস্তিকা ও ২টি বইয়ের লেখক

৪. আমি যাঁদের কাছে শিখেছি

৫. ৯+ বছরের অভিজ্ঞতা

৬. বেসিক দিয়ে পড়ানো

⭐ ১. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তিপ্রাপ্ত ⭐

একটা জিনিস বুঝুন:

১,৮৫,০০০+ কমার্স পরীক্ষার্থী ২০১৫ সালে এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল

⬇️

১,১৭২ জন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় C Unit-এ চান্স পেয়েছিল

⬇️

৩৪৬ জন বৃত্তি পেয়েছিল (আমি তাদের একজন)

এটা প্রশংসার জন্য না। বোঝানোর জন্যঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বৃত্তিপ্রাপ্ত টিচার কয়জন পাবেন?

📄 বৃত্তির তালিকায় আমার নাম দেখুন (পৃষ্ঠা ১৯-এ আমার নাম পাবেন)

🎓 ২. আমার ছাত্র-ছাত্রীদের সাফল্য

🌟 মোহাম্মদ সামির — ফেল থেকে পাস! (মাত্র ২ মাসে)

"আমি এসএসসিতে ফেল করার পর সম্পুর্নরুপে ভেংগে পড়ি তাই আবারও যে গনিতের পরিক্ষা দিব এতে আমার আর কোন মনোযোগ ছিল না এবং দেখতে দেখতে আবারও সেই এসএসসি পরীক্ষার সময় চলে আসে তখন আমি একমাত্র সাজিদ স্যারের কাছে শুধুমাত্র ২ মাস ক্লাস করে আলহামদুলিল্লাহ পাশ করি।"

⚡ এসএসসি: ফেল → পাস (মাত্র ২ মাসে!)

"আমি আমার পক্ষ থেকে বলব আমার জানামতে সাজিদ স্যার গনিতের জন্য পারফেক্ট একজন শিক্ষক।"

📱 সামিরের নিজস্ব WhatsApp মেসেজ দেখুন

তুষার আহমেদ

✓ মোহাম্মদপুর মডেল স্কুল থেকে এখন: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

Apnake always amar life er best teacher hisebei manbo! Emon ek time a apnar kache giyechilam jeita asoleo amar jonno onk tough period chilo accounting, finance, ict eigulor voi continues chilo but apnar guidance er karone ami eto tai develop korechilam ja bolar baire! Apnar math koranor technique etoi easy ja bolar baire! And ami toh Public University ki jinis tai jantam na apni e motivate korlen nijer apon vai er moto! Without any doubt apni teacher hisebe one of the best vai! Will always be grateful to you!

📘 স্টুডেন্টের নিজ আইডি থেকে পোস্ট করা এই রিভিউর জ্বলন্ত প্রমাণ দেখতে টিপুন

নাহিয়ান মোনতাসের

✓ প্রিপারেটরি বয়েজ স্কুল থেকে পরবর্তীতে নটরডেম কলেজ
✓ গণিত ও ইংরেজিতে দক্ষতা অর্জন

"Sir ar Kase Ami 2 bosor ar aktu besi porechi... Sir ar math onk Valo kore bujhai ar unar basic bujhano ta oshadharon Tar shate English to asei full basic diye sikhano"

📘 স্টুডেন্টের নিজ আইডি থেকে পোস্ট করা এই রিভিউর জ্বলন্ত প্রমাণ দেখতে টিপুন

রায়হান খান

✓ ঢাকা কলেজ থেকে → ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
✓ ইংরেজি গ্রামারে বিশেষ দক্ষতা
✓ এখন নিজেই শেখায়

"আপনার পড়ার মধ্যে নতুনত্ব পেয়েছি। বিশেষত ইংরেজি গ্রামার আপনার কাছে বুঝে পানির মতই লাগতো। গ্রামার মানেই সবাই বুঝে শত শত রুলস মুখস্থ করা, কিন্তু আপনি যেভাবে পড়াইতেন তাতে রুলস মুখস্থ ছাড়াও গ্রামার এর এসেন্স টা বুঝতে পারতাম।"

📘 স্টুডেন্টের নিজ আইডি থেকে পোস্ট করা এই রিভিউর জ্বলন্ত প্রমাণ দেখতে টিপুন

রাফিয়া শেখ

✓ কিশলয় বালিকা বিদ্যালয় নামক সাধারণ স্কুল থেকে পড়ে এসএসসি ও এইচএসসি তে A+

Vai apnar poraa niye r ki bolbo?jetaa bolbo shetaa ei kom hbeonk teacher er kache ami porechi but jokhon theke apnar kache vorti hoyechilaam tokhon er por theke r kono teacher er poraa mathai dhuke nai Chapter gulo basic theke bujhai dewar jonnno apni bestapnar kach ke Alhamdulillah ami onk kichu shikte perechi you are the besttttttt teacher ever

📘 স্টুডেন্টের নিজ আইডি থেকে পোস্ট করা এই রিভিউর জ্বলন্ত প্রমাণ দেখতে টিপুন

আরও অনেক সাফল্য আছে কিন্তু স্থান সংকুলানের কারণে লিখলাম না

📚 ৩. ৪টি ছোট পুস্তিকা ও ২টি বইয়ের লেখক

আমি শুধু পড়াই না — পুরো ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বইও লিখেছি:

  • ৫টা ইংরেজির উপর (বেসিক ইংলিশ + ইংলিশ নিজে থেকে বানিয়ে লেখা + বাচ্চাদের শব্দার্থ + বড়দের ইংলিশ Gamebook + Root Vocabulary)
  • ১টি অ্যাকাউন্টিং এর উপর (মাত্র ৩-ধাপে আর্থিক বিবরণী)
  • গণিতের উপর কাজ শুরু করার পর কোচিং এর ব্যস্ততার কারণে এখন আর শেষ করা হয় নি। নাহলে এর পরে আরেকটা গণিত বই রেডি হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যেতো।

এবং বড় ২টি বই হলো:

১) ইংলিশ শব্দার্থ শেখার জন্য "English Gamebook"

২) হিসাববিজ্ঞানের আর্থিক বিবরণী শিখার জন্য "মাত্র ৩ ধাপে দুর্বলদের আর্থিক বিবরণী"

📝 দ্রষ্টব্য: এই পুস্তিকাগুলো ছোট। বড় বইয়ের লিংক এখানে দেওয়া সম্ভব না কারণ পিডিএফ ভার্সন ইন্টারনেট ছড়িয়ে গেলে বই বিক্রি হবে না। অফিসে আসলে হয়তো সরাসরি বইগুলো দেখতে পারবেন।

কয়েকটি পুস্তিকা দেখতে টিপ দিন:

📖 বেসিক ইংলিশ পুস্তিকা 📖 ইংরেজি রাইটিং কোর্স পুস্তিকা 📖 ক্লাস 5 বোর্ড বইয়ের শব্দার্থ

🎯 ৪. আমি যাঁদের কাছে পড়েছি

আমার শিক্ষকরা দেশসেরা। তাদের কাছ থেকে শিখেছি বলেই আজ আমি এত ভালো পড়াতে পারি:

আদিব হোসেন স্যার — ২০০৬ সালে ঢাকা বোর্ডে ২য় স্থান অধিকারী

মোহাম্মদ ফয়সাল স্যার — ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের admission test এর জন্য বিখ্যাত accounting বই "হিসাব বিচিত্রা" বইয়ের লেখক

আব্দুল আজিজ স্যার — সারা বাংলাদেশে পরিসংখ্যানের উপর সবচেয়ে বেশি বিক্রয় হওয়া বইয়ের লেখক

মোজাম্মেল হক মারুফ স্যার — Master Grammar, Master Paper সহ আরও ১৪টা বইয়ের লেখক

বেল্লাল হোসেন (মানিক) স্যার — ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা এবং University of Mexico থেকে intern করে আমেরিকার Dallas, Texas শহরের Deloitte কোম্পানিতে Senior Consultant হিসেবে কর্মরত

এই মানের শিক্ষকদের কাছে Training পাওয়া — এটাই আমাকে আলাদা করে।

⏳ ৫. ৯+ বছরের অভিজ্ঞতা

২০১৬ সাল থেকে পড়াচ্ছি। প্রায় ৯ বছর পার করে দিলাম পড়ানোর মধ্যেই। ইউনিভার্সিটিতে ঢুকার আগে থেকেই পড়াইতাম, ইউনিভার্সিটি চলাকালীন পড়াইলাম, ইউনিভার্সিটির পরেও পড়াচ্ছি😊। পড়ানো অনেকের জন্য আসলে নেশা, যদিও আমার জন্য এখনো সেরকম নেশা হয়ে উঠে নাই😢।

৯ বছরে শত শত ছাত্র-ছাত্রী পড়িয়েছি। তাদের সাফল্যই আমার আসল পরিচয়।

📖 ৬. বেসিক দিয়ে পড়ানো

বেসিক যে কেমন পড়াই, তা তো আপনি আগেই দেখে নিয়েছেন উপরে আমার ছাত্র-ছাত্রীদের রিভিউতে। Foundation Recovery Program থেকে শুরু করে প্রতিটা chapter-এ বেসিক ক্লিয়ার করা আমার পদ্ধতির মূল ভিত্তি।

প্রতিটি topic শুরুর আগে বেসিক মাস্টারক্লাস → এটাই আমার সিগনেচার স্টাইল!

🎥 আমার পড়ানোর স্টাইল দেখুন

ভিডিওতে দেখুন আমি কীভাবে পড়াই এবং ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে কেমন interact করি

ভিডিও না দেখা গেলে এখানে ক্লিক করুন

আমার যা বলার ছিল, সব বলে দিলাম😊। এবার আপনি সন্তুষ্ট থাকলে নিচের বাটনে টিপ দিয়ে এখনও বুকিং করেন।

📱 সিট বুকিং করাতে এখানে টিপ দিয়ে Whatsapp করুন

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

যদি আমার সন্তান আপনার পড়া না বুঝে, তাহলে তো সমস্যা। তাই ২/৩ দিন ফ্রি ক্লাস করে দেখার সুযোগ হবে কি? +

উত্তর:

নিচের বাটনে টিপ দিয়ে ফেসবুকে সকল ছাত্র-ছাত্রীর নিজ হাতে দেওয়া মতামত পড়ুন। বুঝতে পারবেন আমরা কত ভালো পড়াই যে একজন দুর্বল বাচ্চাও সহজে বুঝতে পারে।

এখন শুনুন সত্যিটা: ২/৩ দিন ফ্রি ক্লাস একটা স্ক্যাম। প্রথম ২/৩ দিন আমরা খুব ভালো করে পড়াবো, তারপর বেতন নেওয়ার পর দেখবেন সিরিয়াসনেস কমে গেছে। এরকম অনেক জায়গায় হয়।

তাই আমি আপনাকে আরও বড় সুযোগ দিচ্ছি:

  • ✓ টাকা দিয়ে সন্তানকে ভর্তি করান
  • ✓ ২/৩ দিন না, বরং ২/৩ সপ্তাহ এমনকি প্রয়োজনে সম্পূর্ণ মাস ক্লাস দেখুন
  • ✓ যদি মনে হয় পড়া বুঝছে না, তাহলে ২/৩ দিন পর বা ১০ দিন পর বা ২/৩ সপ্তাহ পর (অর্থাৎ পুরো মাসের মধ্যে যখন ইচ্ছা) আমাদের ওয়েবসাইটে জানান
  • ✓ আপনার জানানোর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আপনার ভর্তি ফি ও কোর্স ফি সম্পূর্ণ টাকা ফেরত দিয়ে দিবো

আমরা এত বড় কথা বলতে পারি কারণ নিজের পড়ানোর উপর আত্মবিশ্বাস আছে 😊

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:

আপনাকে আমাদের কাছে টাকা চাওয়ার জন্য আসতে হবে না। আপনি শুধু আমাদের ওয়েবসাইটে একটা ফর্ম ফিলাপ করবেন যেখানে আপনার বিকাশ নাম্বার/নগদ নাম্বার/ব্যাংক একাউন্টের নাম্বার দিবেন। অটোমেটিক ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আপনার টাকা পৌঁছে যাবে। কারণ আমরা জানি যে, যদি সরাসরি দেখা করে টাকা নিতে বলি তাহলে মানুষ আসতে লজ্জা করবে এবং নিজের টাকা ফেরত পাবে না।

আমরা ফোন দিয়ে আপনাকে একটা কথাও জিজ্ঞেস করব না যে, সন্তান কেন পড়তে চাচ্ছে না ইত্যাদি ইত্যাদি। কারণ আমরা টাকা ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়াকে অনেক সহজ করতে চাই। ফোন ইত্যাদি যদি দেই, তাহলে আপনি আবারও লজ্জায় পড়ে যাবেন।

ক্লাসের সময়সূচী কেমন? +

আমরা ছেলে ও মেয়েদের ব্যাচ আলাদা পড়াই যেন ভবিষ্যতে কখনও এদের মাঝেমধ্যে কোনো প্রেম প্রীতি বা ভালোবাসার সুযোগ না হয়। কারণ আপনিও জানেন, জীবন ধ্বংস করার জন্য এই একটা জিনিস যথেষ্ট। যেই সন্তান আপনার অনুগত ছিল, সেই আপনার কথা শুনবে না যখন সে এইসব চক্করে পড়বে।

যাই হোক, মূল কথায় আসি।

আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ এ যোগাযোগ করে জেনে নিন কোন টাইমিং স্লটটা খালি আছে। Normally আমরা শনি সোম বুধ এবং রবি মঙ্গল বৃহস্পতি এই তিন দিন করে করাই। তবে শনি সোম বুধের কোন স্লটটা খালি আছে বা রবি মঙ্গল বৃহস্পতি বারের কোন স্লটটা খালি আছে সেটা জানার জন্য এই বাটনটা টিপ দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ এ জিজ্ঞেস করে নিন।

📱 হোয়াটসঅ্যাপ এ মেসেজ দিন

ব্যাচ সাইজ কত? +

প্রতিটি ব্যাচে সর্বোচ্চ ১২ জন ছাত্র-ছাত্রী নেওয়া হয়। এতে প্রতিটি শিক্ষার্থীকে আলাদা মনোযোগ দেওয়া সম্ভব হয়।

আপনাদের মাসিক বেতন কত? +
১. আপনার সন্তান কোন ক্লাসে পড়ে?
২. আপনার সন্তান কোন মাধ্যমে পড়ে?

কোর্সের মূল্য (মাসিক বেতন)

ক্লাস: ১০ম | মাধ্যম: বাংলা ভার্সন

শুধু গণিত

ভর্তি ফি (একবার)
৪০০০ ২২০০ ৳
মাসিক বেতন
৩৫০০ ৳
👥 ব্যাচ সাইজ: মাত্র ১২ জন
🔥 Best Value! (সাশ্রয়ী)

গণিত + ইংরেজি

ভর্তি ফি (একবার)
৪০০০ ২২০০ ৳
মাসিক বেতন
৬৩০০ ৳
👥 ব্যাচ সাইজ: মাত্র ১২ জন

শুধু ইংরেজি

ভর্তি ফি (একবার)
৪০০০ ২২০০ ৳
মাসিক বেতন
৩৫০০ ৳
👥 ব্যাচ সাইজ: মাত্র ১২ জন
🛡️
১০০% মানি ব্যাক গ্যারান্টি (জিরো রিস্ক)
১ মাস পড়ার পর যদি আপনার মনে হয় আপনার সন্তানের কোনো উন্নতি হচ্ছে না বা সে পড়া বুঝতে পারছে না, আমরা সম্পূর্ণ টাকা ফেরত দিয়ে দেবো!
ভর্তি ফি সম্পূর্ণ ফেরত
১ম মাসের বেতন সম্পূর্ণ ফেরত
শিট ও ম্যাটেরিয়ালস একদম ফ্রি!
*শর্ত: প্রথম মাসে কমপক্ষে ৮০% ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে।
টাকা ফেরত দেওয়ার কোনো শর্ত আছে নাকি, থাকলে এখনই বলে দেন +

উত্তর:

সুন্দর প্রশ্ন। একটাই ছোট্ট শর্ত আছে যে, ৮০% উপস্থিতি থাকতে হবে। আর কিছু না, ব্যাস।

ছাত্র ৮০% উপস্থিত থাকার পরও এক মাস পরে পড়া দ্বারা সন্তুষ্ট না হলে সম্পূর্ণ বেতন, ভর্তি ফি ইত্যাদি সব ফেরত পাবেন আপনি।

প্রতিষ্ঠান কোথায়? +

সম্পূর্ণ ঠিকানা:

৩৩/১১, তাজমহল রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা - ১২০৭

কীভাবে খুঁজে পাবেন:

কেন্দ্রীয় কলেজ থেকে ২ মিনিটের ব্যবধানে (কেন্দ্রীয় কলেজের সামনে এসে যে কাউকে জিজ্ঞেস করলেই হবে যে, "বঙ্গবন্ধু মাঠ" কোনদিকে। সেই মাঠের সাথেই আমাদের প্রতিষ্ঠান)

ঢাবি বৃত্তিপ্রাপ্তের গণিত প্রতিষ্ঠান- বিল্ডিং

↑ এই বিল্ডিংয়ে আমাদের প্রতিষ্ঠান অবস্থিত

বিল্ডিং এর ছবি দেখে সহজেই চিনতে পারবেন

🎯 এখনই বুকিং করে নেন!

সিট/ টাইমিং স্লট শেষ হওয়ার আগেই নিজের সন্তানের জন্য মাত্র ৩০০ টাকা বিকাশে পাঠিয়ে হলেও বুকিং করে নেন