আপনার সন্তান সেই ৯৩ জনের মধ্যে থাকবে এটা তো খুব স্বাভাবিক বিষয় — যদি আপনি সিরিয়াস না হন।
এখন আপনি ভাবতে পারেন যে, সে তো সবেমাত্র ক্লাস ৬ বা ৭ বা ৮-এ উঠেছে, এখনও এসএসসি পরীক্ষা অনেক দূরে। এখনই কি সিরিয়াস হতে হবে?? কিছুদিন পর সিরিয়াস হবো নে। তাহলে চলেন আপনাকে ছোট্ট গল্প বলি। একদম সত্য ঘটনা। আমার সাথে ঘটা।
আমি সৌমিক নামক রেসিডেনসিয়ালের এক ছেলেকে পড়াতাম, তার বাবা তার হাতে বাল্যকালেই ডিকশনারি দিয়ে প্রতিদিন ৫/১০ টা শব্দার্থ মুখস্থ করতে দিতেন। সম্ভবত ক্লাস ৩ তে।
এখন একটু ভাবেন, প্রতিদিন ৫টা করে পড়লেও ক্লাস ৬ পর্যন্ত প্রায় ৩ বছরে সে "১,০৯৫ দিন × ৫টা শব্দার্থ = ৫,৪৭৫টা শব্দার্থ" তার হয় মুখস্থ বা রিভিশন হয়ে গিয়েছে। সে যদি অলসতার কারণে মাঝে মধ্যে নাও পড়ে থাকে, তারপরও তো ৩,০০০ শব্দার্থ আশা করি সে রিভিশন দিয়ে নিয়েছে।
এখন আপনি বলেন, আপনি কি এই কাজ করেছেন??
যদি উত্তর আসে "না" তাহলে তো আপনি এমনিতেই নিজের সন্তানকে পিছিয়ে রেখেছেন। তার মধ্যে এখন ভাবছেন যে, এসএসসি অনেক দেরি। এভাবে তাকে আরও পিছিয়ে দিবেন।
মনে রাখবেন, ভবিষ্যতে career গড়ার সময় প্রতিযোগী হিসেবে কিন্তু সৌমিকের মত ছাত্ররাই আপনার সন্তানের বিরুদ্ধে আসবে। আমি আপনার সন্তানকে কোনো প্রেসার দিতে বলছি না। কিন্তু আপনি এখনো কি অবহেলা করবেন😢😢?
আরেকটা মজার কথা কি জানেন? সৌমিকের বাবা একজন ডিম বিক্রেতা। গত ৩/৪ দিন আগেও দেখলাম যে ভ্যান গাড়িতে ডিম উঠাচ্ছিলেন।
একজন ডিম বিক্রেতা হয়ে উনি নিজের বাচ্চার জন্য যেরকম mindset রেখেছেন এবং যেরকম অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করেছেন, তা আপনাকেও করতে হবে।
আরেকটা মজার বিষয় কি জানেন? সৌমিক WhatsApp-এ আমাকে জানালো যে সে নাকি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেয়েছে।
এবার আপনার উপর সব ছাড়লাম যে, এখনোও কি সিরিয়াস হবেন না।
"আচ্ছা গুরুত্ব বুঝলাম। এখন থেকেই সিরিয়াস হওয়া উচিত। তবে এই মাস যাক, পরের মাস থেকে বা কয়েকদিন পর থেকে বাচ্চার পড়াশোনা নিয়ে একটু সিরিয়াস হবো।"
তাহলে শুনেন — এটাও হবে আপনার বোকামি।
তাহলে বাচ্চা পড়ল কখন?
যদি বাচ্চা পড়ার সুযোগই না পেয়ে থাকে, তাহলে সামনের অর্ধবার্ষিক পরীক্ষায় সে কীভাবে ভালো রেজাল্ট করবে? January থেকে June মাস পর্যন্ত পড়ার সুযোগ তা হয়তো সে পায় নাই।
এখন এভাবে যদি চলতে থাকে, তাহলে হবে তিনটা জিনিস —
১. অর্ধবার্ষিক পরীক্ষায় রেজাল্ট খারাপ হবে
জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মার্চ, এপ্রিল — একলাগরে চারটা মাস চলে গেল, পড়ার ঠিকমতো সুযোগই পায়নি। পড়ার সুযোগ না পেয়ে পরীক্ষায় বসলে ফলাফল কী হবে, সেটা বুঝতে পারছেন?
২. তার আত্মবিশ্বাস ভেঙে যাবে
৩. সে নিজেকে "খারাপ স্টুডেন্ট" ভেবে বসবে
সে মনে করবে — "আমি তো খারাপ স্টুডেন্ট, আমার দ্বারা ভালো রেজাল্ট হবে না। এটাই স্বাভাবিক।"
একবার যদি সে নিজের মাথায় এটা বসিয়ে নেয় যে সে একজন নরমাল বা এভারেজ স্টুডেন্ট — তাহলে আমি কে, আর আপনি কে? কেউই তাকে আর পড়াশোনায় তেমন মনোযোগী করতে পারব না। ফলে তার পরীক্ষাও খারাপ হবে এবং ভবিষ্যত হবে অন্ধকার।
★ আমি নিজের ঘটনা বলি —
আমি ছোটবেলায় এক স্কুলের ফার্স্ট বয় ছিলাম। কিন্তু যখন অন্য স্কুলে গেলাম, ভালো ছাত্রদের মাঝে আমার রেজাল্ট অনেক পিছিয়ে গেল। তখন আমি নিজেকে ভেবেই নিলাম — "আমি তো একজন নরমাল, এভারেজ স্টুডেন্ট।"
জেএসসি পরীক্ষায় আমি ৪.০০ পেয়ে খুশি ছিলাম। কারণ আমি নরমাল স্টুডেন্ট — নরমাল হিসেবে তো ভালোই পেয়েছি, তাই না? কিন্তু আমি সেই মানুষ, যে পরে এসএসসিতে শুধুমাত্র এক সাবজেক্টে A+ মিস হওয়ার কারণে গোল্ডেন মিস হওয়ায় কান্না করেছিলাম!
ক্লাস ৯-এর প্রথম সাময়িকে তিন সাবজেক্টে ফেইল করলাম। কিন্তু আমি সিরিয়াস নিইনি — "আমি তো এভারেজ স্টুডেন্ট, এগুলো হবেই।" তারপর দ্বিতীয় সাময়িকে কীভাবে জানি সব বিষয়ে পাস করে ক্লাসে দ্বিতীয় হয়ে গেলাম।
তখন একটাই চিন্তা মাথায় এলো — "আমি তো আসলে ভালো ছাত্র!" একবার এটা মাথায় ঢোকার দেরি ছিল। তৃতীয় সাময়িকে ফার্স্ট। ক্লাস ১০-এও ফার্স্ট। এসএসসিতে A+। এবং শুধু একটা সাবজেক্টে A+ মিস হওয়ায় গোল্ডেন মিস হওয়ায় কাঁদলাম।
সুতরাং আমি নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি — একবার বাচ্চার মাথায় ঢুকে যায় "আমি নরমাল, এভারেজ স্টুডেন্ট" — তখন সে তেমন পড়ে না, কারণ খারাপ ফলাফলকে সে স্বাভাবিক মনে করে। এটা হতে দিবেন না। এটা অনেক বড় রোগ। তাও যদি না বোঝেন, এবার আপনি নিজে বুঝুন।
সন্তান আপনার, ভাববেন আপনি, আমি কেন এগুলো আপনাকে মনে করাবো, কিছু মনে করবেন না, সন্তান নিয়ে কি আপনার টেনশন নাই।
আমি প্রাইভেট ব্যাচ পড়াই, আমি পড়ালে টাকা পাই, আমি নিজের টাকার জন্য এত ভাবতে পারি, ভেবে আপনাকে মনে করাতে পারি, তাহলে আপনি নিজের সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য কেন এগুলো ভাবেন নাই।
যাই হোক, আপনি যদি নিজের সন্তানের ভবিষ্যৎ/রেজাল্ট এরকম মারাত্মক হওয়া থেকে বাঁচাতে চান, তাহলে নিচের লেখা পড়ুন।
করোনা, নতুন কারিকুলাম, জুলাই আন্দোলন, সরকার পতন, ইউনুস সরকারের আগমন — একের পর এক ধাক্কায় আপনার সন্তানের পড়াশোনার মধ্যে অনেক বড় বড় সমস্যা চলে এসেছে। এই সমস্যাগুলো কী এবং কীভাবে সমাধান করা যায় — সেটা জানতে নিচে পড়ুন।
একটু ভাবুন।
করোনার সময় স্কুল বন্ধ ছিল। অনলাইন ক্লাস হয়েছিল — কিন্তু সেটা কি সত্যিকারের পড়াশোনা ছিল? বাচ্চা স্ক্রিনের সামনে বসে থেকেছে, কিন্তু মাথায় কিছু ঢোকেনি।
তারপর এলো নতুন কারিকুলাম। গ্রুপ স্টাডি, অ্যাসাইনমেন্ট, প্রেজেন্টেশন — পরীক্ষা নেই, চাপ নেই, পড়াশোনাও নেই।
তারপর এলো জুলাই আন্দোলন, সরকার পতন, সিলেবাস চেঞ্জ।
একের পর এক ধাক্কা।
এই ৫টা বছরের ঘাটতি এখন একসাথে চাপা পড়েছে আপনার সন্তানের ঘাড়ে। সে চেষ্টা করছে, কিন্তু ভিত্তিটাই নেই — তাই এগোতে পারছে না।
এটা তার দোষ না। এটা সময়ের দোষ।
এই কথা শুনে আপনার বুক ফেটে যায়, তাই না? আপনার মেধাবী সন্তান গণিত দেখলেই ভয় পায়। বীজগণিত, ত্রিকোণমিতি, জ্যামিতি — সব কঠিন লাগে।
আসল সমস্যা কী?
এটা আরও বিপজ্জনক! আপনার সন্তান বাসায় অংক করতে পারে। কিন্তু পরীক্ষায় একই অংক একটু ভিন্নভাবে আসলেই — সম্পূর্ণ blank!
Right Form of Verb, Tag Question, Transformation — এসব দেখলেই মাথা ঘুরে যায়।
সবচেয়ে ভয়ংকর সমস্যা! আপনার সন্তান paragraph মুখস্থ করে লেখে। নিজে বানিয়ে এক লাইনও লিখতে পারে না।
এটা খুবই সিরিয়াস সমস্যা। আপনার সন্তান ক্লাসে কিছু বুঝছে না, কিন্তু প্রশ্ন করছে না।
প্রতিটি সমস্যার জন্য আমাদের কাছে সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি আছে — শুধু কথায় নয়, প্রমাণসহ
সত্যি কথা যদি বলি — অন্য বিজ্ঞাপনদাতাদের মতো মিথ্যা আশা দেব না। চার বছরের পড়াশোনার ঘাটতি এখন পুরোপুরি মেটানো সম্ভব না। সামনেই পরীক্ষা, সময় হাতে নেই।
কিন্তু হ্যাঁ, একটা কাজ করা যায় — এবং এই কাজটাই আসল পার্থক্য তৈরি করে।
আমরা যা করি — প্রতিটি অধ্যায় শুরু করার আগে, সেই অধ্যায়ের সাথে সম্পর্কিত বেসিক বিষয়গুলো ভালো করে বুঝিয়ে দিই। যেন অধ্যায়টা পড়তে বসলে বাচ্চা কোথাও আটকে না যায়, বরং সহজে বুঝতে পারে।
এই পদ্ধতিতে চার বছরের সম্পূর্ণ ঘাটতি কভার হোক বা না হোক — ওই অধ্যায়টা বুঝতে তার কোনো সমস্যা হবে না। এবং এভাবেই অধ্যায়ের পর অধ্যায় পার করে সে পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করবে।
👇 আমি বেসিক কীভাবে পড়াই, সেটা আরও বিস্তারিত জানতে পারবেন নিচে সমস্যা-২ এর সমাধানে। এখনই দেখুন।
"Apnr pora ek kothai best … Apni Full basic theke bujhan pora ei jnno apnr chara onno kothaw pora bujtey e pari nah 2019 e theke 2023 pjnto apnr kacce E porse Allahmdulilah SSC and HSC vlw e result korty parse apnr obodan onk"
🔗 রিভিউ প্রমাণ দেখুন →আমরা কোনো Chapter শুরুর আগেই সেই Chapter-এর সব Basic Concepts একদম পরিষ্কার করে দিই।
কেন এটা গুরুত্বপূর্ণ?
প্রশ্নের শব্দ ক্লিয়ার না থাকলে প্রশ্নই বুঝবে না। প্রশ্ন না বুঝলে উত্তর কীভাবে পারবে?
উদাহরণ দেখুন:
"একটি ৫০ মিটার উঁচু দালানের ছাদ থেকে ভূতলস্থ একটি বিন্দুর অবনতি কোণ ৩০°। ওই বিন্দুর দালান থেকে দূরত্ব কত?"
আপনার সন্তান পড়ছে এই প্রশ্ন। কিন্তু: ভূতলস্থ বিন্দু মানে কী? অবনতি কোণ আবার কী? দূরত্ব বলতে কোন দূরত্ব — উল্লম্ব নাকি অনুভূমিক? শব্দগুলোই clear না। তাহলে অংক করবে কীভাবে?
আমরা কী করি? প্রতিটি Chapter শুরুর আগে একটি "Basic Masterclass" করি। সেই Chapter-এর সব Important শব্দ, Concept ভালো করে বুঝাই। পাদবিন্দু, ভূতলস্থ বিন্দু, উন্নতি কোণ, অবনতি কোণ, অতিভুজ, লম্ব, ভূমি — সব শব্দ clear করি।
"স্যার, আপনি আমাদের সকল বিষয় অনেক বেসিক থেকে বুঝিয়ে দেন, যা পড়াশোনার জগৎকে অনেক সহজ করে তুলে। এর কারণেই যেকোনো ধরনেরই স্টুডেন্ট হোক, সে একটি ভালো ফলাফল অর্জন করতে সক্ষম হয় এবং নিজের জীবনকে সফলতার দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়।"
🔗 রিভিউ প্রমাণ দেখুন →ঘুরানো প্রশ্নের সামনে টিকে থাকতে হলে একটাই পথ — বেশি বেশি প্র্যাকটিস। যত বেশি বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন দেখবে, তত বেশি পরীক্ষার হলে যেকোনো ঘুরানো প্রশ্ন নিজে সলভ করতে পারবে।
কিন্তু প্রশ্ন হলো — এত বেশি প্র্যাকটিস করবে কোথা থেকে?
আপনি ভাবতে পারেন: লেকচার বা পাঞ্জেরী গাইড নিলেই তো অনেকগুলো সৃজনশীল প্রশ্ন পাওয়া যাবে। কিন্তু এখানে দুটো বিষয় মাথায় রাখতে হবে —
ভালো প্র্যাকটিস বইয়ে যা থাকা দরকার:
১. প্রশ্নের সংখ্যা বেশি হতে হবে — প্রতিটি অধ্যায়ে যত বেশি প্রশ্ন, তত বেশি প্র্যাকটিস।
২. প্রশ্নের মান উন্নত হতে হবে — গাইডের নিজস্ব বানানো প্রশ্নের চেয়ে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বোর্ডের প্রশ্ন অনেক বেশি কার্যকর। কারণ ওখানে বিভিন্ন শিক্ষকের বিভিন্ন মাথা কাজ করেছে — প্রশ্নের ধরন আলাদা, চিন্তার কোণ আলাদা।
এই দুটো গুণ একসাথে পাওয়া যায় এমন বই খুঁজে বের করা কার কাজ? বেশিরভাগ শিক্ষক এই কষ্ট করেন না। কিন্তু আমরা করেছি।
মার্কেটে ঘুরে ঘুরে বই নিয়ে গবেষণা করে আমরা এমন একটা গাইডের সন্ধান পেয়েছি যেটা দেখলে আপনি অবাক হবেন — 📖 দোলনা গাইড
এটা কোনো লেকচার, পাঞ্জেরী বা অন্য কোনো পরিচিত কোম্পানির গাইড না। এটা একটা ইউনিক গাইড, যারা প্রশ্নের ক্ষেত্রে একটা বিপ্লব এনেছে।
উদাহরণ দিই: শুধু ত্রিকোণমিতি অধ্যায়ের উপরেই এই গাইডে আছে প্রায় ১৬১টি সৃজনশীল প্রশ্ন — এবং সবগুলো কোনো না কোনো বোর্ড, স্কুল বা কলেজের প্রশ্ন। গাইডের নিজস্ব বানানো একটাও না।
এখন আপনি যেকোনো গাইড খুলে দেখুন — ত্রিকোণমিতির উপর ১৬১টি সৃজনশীল প্রশ্ন পাবেন কি?
১৬১টা প্রশ্ন মানে ১৬১ জন শিক্ষকের ১৬১টা মাথা ব্যবহার হয়েছে। এত বৈচিত্র্যময় প্রশ্নের প্র্যাকটিস যে ছাত্র করবে, পরীক্ষার হলে তাকে আর আটকানো কঠিন।
আমরা আমাদের ছাত্রছাত্রীদের এই বইটি কিনতে উৎসাহ দিই এবং এটি ফলো করে পড়াই। অন্য কোচিংয়ে হয়তো এই বইয়ের কথাই জানে না, বা নিজেদের শিট ধরিয়ে দেয়।
📌 একটু বলে রাখি — আমরা কিন্তু বলছি না যে আপনার সন্তানকে ১৬১টি প্রশ্ন সব করতেই হবে। এত প্রশ্ন একজন বাচ্চার পক্ষে করা সম্ভবও না, করতে চাইবেও না — এবং এতে ভয় পাওয়াটাই স্বাভাবিক। আমরা আসলে বোঝাতে চাইছি যে এত বড় একটা কালেকশন থেকে সে যেটা ইচ্ছা, যেটা ভালো লাগে, সেটাই বেছে নিয়ে প্র্যাকটিস করুক — তাতেই সে অনেক কিছু শিখবে।
⚡ ফলাফল: পরীক্ষায় যেভাবেই প্রশ্ন ঘুরিয়ে আসুক — আপনার সন্তান পারবে।
গ্রামার মানে শত শত rules মুখস্থ? না! আমার কাছে গ্রামার মানে ১ পৃষ্ঠা!
কীভাবে সম্ভব? আমি ইংরেজি শেখানোর জন্য এতটাই serious যে ২টি সম্পূর্ণ বই লিখেছি। একটা বেসিক ইংরেজির উপর, আরেকটা রাইটিং এর উপর। কিন্তু আসল জাদু হলো - আমি জটিল গ্রামার টপিকগুলোকে ১ পৃষ্ঠায় নিয়ে আসি।
Right Form of Verb - ৬৪+ rules নাকি ১ পৃষ্ঠা? অন্য টিচাররা ৬৪+ rules মুখস্থ করতে বলে। আমি? মাত্র ১ পৃষ্ঠা! এই ১ পৃষ্ঠা দিয়েই Right Form of Verb এর ৯৫% সমস্যা solve হয়ে যায়।
"ইংরেজি গ্রামার আপনার কাছে বুঝে পানির মতই লাগতো। আমি নিজেও এখন টেকনিক গুলো ফলো করে পড়াই আপনি যে টেক্নিক দিয়ে পড়াতেন। গ্রামার মানেই সবাই বুঝে শত শত রুলস মুখস্থ করা, কিন্তু আপনি যেভাবে পড়াইতেন তাতে রুলস মুখস্থ ছাড়াও গ্রামার এর এসেন্স টা বুঝতে পারতাম। ধন্যবাদ আপনাকে।"
🔗 রিভিউ প্রমাণ দেখুন →এটাই সবচেয়ে বড় সমস্যা - এবং আমিই একমাত্র এটা শেখাই!
সত্য কথা: আপনার সন্তান paragraph মুখস্থ করে লেখে। নিজে বানিয়ে লিখতে পারে না। কেন? সব টিচার শুধু গ্রামার পড়ায় - কিন্তু "কীভাবে লিখবে" শেখায় না। বাচ্চারা মুখস্থ করে - কিন্তু নতুন টপিক এলে ফাঁকা থাকে। কেউ step by step শেখায় না - idea থেকে sentence, sentence থেকে paragraph।
আমার পদ্ধতি আলাদা: আমি পুরো একটা কোর্স বানিয়েছি "কীভাবে নিজে থেকে ইংরেজি লিখবে" এর উপর। এবং এর উপর একটা সম্পূর্ণ বই লিখেছি।
কীভাবে শেখাই?
Step 1: Topic দেখে কীভাবে idea বের করবে
Step 2: Idea থেকে কীভাবে sentence বানাবে
Step 3: Sentence গুলো কীভাবে connect করবে
Step 4: কীভাবে paragraph শেষ করবে
ফলাফল? আপনার সন্তান যেকোনো টপিকে নিজে থেকে লিখতে পারবে। মুখস্থ করতে হবে না!
"আমি এই কোর্স এর মাধ্যমে নিজে থেকে ইংলিশ বানিয়ে লিখতে শিখে গেছি এবং লেখার সময় গ্রামার ঠিক রাখা খুবই easly শিখতে পেরেছি । আর এটা করতে গিয়ে আমার অনেকটা গ্রামারও শেখা হয়েগেছে । الحمد لله"
🔗 WhatsApp রিভিউ প্রমাণ দেখুন →বড় ব্যাচে কী সমস্যা? ৫০ জনের মধ্যে দুর্বল Student হারিয়ে যায়। শিক্ষক দেখতে পারেন না কে বুঝছে, কে বুঝছে না। লজ্জায় প্রশ্ন করতে পারে না। পিছিয়ে থাকলেও কেউ খেয়াল করে না।
আমাদের ১২ জনের ব্যাচে:
প্রতিটা ছাত্রকে আলাদাভাবে দেখা সম্ভব — কে বুঝলো, কে বুঝলো না সব জানা সম্ভব। দুর্বল ছাত্রকে আলাদা সময় — প্রতিদিন ক্লাসের পর আমি হাতে ১৫/২০ মিনিট রাখি "দুর্বলদের আলাদা সাপোর্ট সেশন" নামে। প্রশ্ন করতে পারে — ছোট ব্যাচ, লজ্জা কম। Individual attention — প্রতিটা Student-এর Progress Track করা সম্ভব।
এই কারণেই আমরা ১২ জনের বেশি নিই না। Quality Compromise করতে চাই না।
মনে রাখবেন — এটা গতানুগতিক কোনো কোচিং সেন্টার না।
এটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বৃত্তি পাওয়া ছাত্রের প্রাইভেট ব্যাচ যেখানে আপনার সন্তান এই সুন্দর পদ্ধতি পাবে।
সিট/ টাইমিং স্লট শেষ হওয়ার আগেই নিজের সন্তানকে ভর্তি করান। নাহলে পরে ধরা খেতে পারেন। আপনি অফিসে এসে সরাসরি পরিবেশ দেখে ভর্তি হবেন, কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু কমপক্ষে ৩০০ টাকা বিকাশে পাঠিয়ে বুকিং করে রাখেন।
এখনই সন্তানকে ভর্তি করান — নিচের বাটনে টিপ দিয়ে WhatsApp করুন 👇
📱 সিট বুকিং করাতে এখানে টিপ দিয়ে Whatsapp করুন
⚠️ যদি আপনি নিজের সন্তানকে ইতিমধ্যে অন্য কোনো কোচিং এ ভর্তি করিয়ে ফেলেছেন —
তাহলে আপনার জন্য একটা বিশেষ ব্যবস্থা আছে!
আমার কাছে এমন ৬টা জিনিস আছে যেটা হয়তো বাংলাদেশের হাতে গোনা কিছু টিচারদের কাছে আছে
✓ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষক
✓ ৯+ বছরের অভিজ্ঞতা
✓ ৪টি পুস্তিকা + ২টি বইয়ের লেখক
একটা জিনিস বুঝুন:
১,৮৫,০০০+ কমার্স পরীক্ষার্থী ২০১৫ সালে এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল
⬇️
১,১৭২ জন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় C Unit-এ চান্স পেয়েছিল
⬇️
৩৪৬ জন বৃত্তি পেয়েছিল (আমি তাদের একজন)
এটা প্রশংসার জন্য না। বোঝানোর জন্য — ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বৃত্তিপ্রাপ্ত টিচার কয়জন পাবেন?
আমি শুধু পড়াই না — পুরো ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বইও লিখেছি:
এবং বড় ২টি বই হলো:
১) ইংলিশ শব্দার্থ শেখার জন্য "English Gamebook"
২) হিসাববিজ্ঞানের আর্থিক বিবরণী শিখার জন্য "মাত্র ৩ ধাপে দুর্বলদের আর্থিক বিবরণী"
📝 দ্রষ্টব্য: এই পুস্তিকাগুলো ছোট। বড় বইয়ের লিংক এখানে দেওয়া সম্ভব না কারণ পিডিএফ ভার্সন ইন্টারনেট ছড়িয়ে গেলে বই বিক্রি হবে না। অফিসে আসলে হয়তো সরাসরি বইগুলো দেখতে পারবেন।
কয়েকটি পুস্তিকা দেখতে টিপ দিন:
আমার শিক্ষকরা দেশসেরা। তাদের কাছ থেকে শিখেছি বলেই আজ আমি এত ভালো পড়াতে পারি:
✅ আদিব হোসেন স্যার — ২০০৬ সালে ঢাকা বোর্ডে ২য় স্থান অধিকারী
✅ মোহাম্মদ ফয়সাল স্যার — ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের admission test এর জন্য বিখ্যাত accounting বই "হিসাব বিচিত্রা" বইয়ের লেখক
✅ আব্দুল আজিজ স্যার — সারা বাংলাদেশে পরিসংখ্যানের উপর সবচেয়ে বেশি বিক্রয় হওয়া বইয়ের লেখক
✅ মোজাম্মেল হক মারুফ স্যার — Master Grammar, Master Paper সহ আরও ১৪টা বইয়ের লেখক
✅ বেল্লাল হোসেন (মানিক) স্যার — ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা এবং University of Mexico থেকে intern করে আমেরিকার Dallas, Texas শহরের Deloitte কোম্পানিতে Senior Consultant হিসেবে কর্মরত
এই মানের শিক্ষকদের কাছে Training পাওয়া — এটাই আমাকে আলাদা করে।
২০১৬ সাল থেকে পড়াচ্ছি। প্রায় ৯ বছর পার করে দিলাম পড়ানোর মধ্যেই। ইউনিভার্সিটিতে ঢুকার আগে থেকেই পড়াইতাম, ইউনিভার্সিটি চলাকালীন পড়াইলাম, ইউনিভার্সিটির পরেও পড়াচ্ছি😊। পড়ানো অনেকের জন্য আসলে নেশা, যদিও আমার জন্য এখনো সেরকম নেশা হয়ে উঠে নাই😢।
৯ বছরে শত শত ছাত্র-ছাত্রী পড়িয়েছি। তাদের সাফল্যই আমার আসল পরিচয়।
বেসিক যে কেমন পড়াই, তা তো আপনি আগেই দেখে নিয়েছেন উপরে আমার ছাত্র-ছাত্রীদের রিভিউতে। Foundation Recovery Program থেকে শুরু করে প্রতিটা chapter-এ বেসিক ক্লিয়ার করা আমার পদ্ধতির মূল ভিত্তি।
প্রতিটি topic শুরুর আগে বেসিক মাস্টারক্লাস → এটাই আমার সিগনেচার স্টাইল!
ভিডিওতে দেখুন আমি কীভাবে পড়াই এবং ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে কেমন interact করি
ভিডিও না দেখা গেলে এখানে ক্লিক করুন
আমার যা বলার ছিল, সব বলে দিলাম😊। এবার আপনি সন্তুষ্ট থাকলে নিচের বাটনে টিপ দিয়ে এখনও বুকিং করেন।
উত্তর:
নিচের বাটনে টিপ দিয়ে ফেসবুকে সকল ছাত্র-ছাত্রীর নিজ হাতে দেওয়া মতামত পড়ুন। বুঝতে পারবেন আমরা কত ভালো পড়াই যে একজন দুর্বল বাচ্চাও সহজে বুঝতে পারে।
এখন শুনুন সত্যিটা: ২/৩ দিন ফ্রি ক্লাস একটা স্ক্যাম। প্রথম ২/৩ দিন আমরা খুব ভালো করে পড়াবো, তারপর বেতন নেওয়ার পর দেখবেন সিরিয়াসনেস কমে গেছে। এরকম অনেক জায়গায় হয়।
তাই আমি আপনাকে আরও বড় সুযোগ দিচ্ছি:
আমরা এত বড় কথা বলতে পারি কারণ নিজের পড়ানোর উপর আত্মবিশ্বাস আছে 😊
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
আপনাকে আমাদের কাছে টাকা চাওয়ার জন্য আসতে হবে না। আপনি শুধু আমাদের ওয়েবসাইটে একটা ফর্ম ফিলাপ করবেন যেখানে আপনার বিকাশ নাম্বার/নগদ নাম্বার/ব্যাংক একাউন্টের নাম্বার দিবেন। অটোমেটিক ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আপনার টাকা পৌঁছে যাবে। কারণ আমরা জানি যে, যদি সরাসরি দেখা করে টাকা নিতে বলি তাহলে মানুষ আসতে লজ্জা করবে এবং নিজের টাকা ফেরত পাবে না।
আমরা ফোন দিয়ে আপনাকে একটা কথাও জিজ্ঞেস করব না যে, সন্তান কেন পড়তে চাচ্ছে না ইত্যাদি ইত্যাদি। কারণ আমরা টাকা ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়াকে অনেক সহজ করতে চাই। ফোন ইত্যাদি যদি দেই, তাহলে আপনি আবারও লজ্জায় পড়ে যাবেন।
আমরা ছেলে ও মেয়েদের ব্যাচ আলাদা পড়াই যেন ভবিষ্যতে কখনও এদের মাঝেমধ্যে কোনো প্রেম প্রীতি বা ভালোবাসার সুযোগ না হয়। কারণ আপনিও জানেন, জীবন ধ্বংস করার জন্য এই একটা জিনিস যথেষ্ট। যেই সন্তান আপনার অনুগত ছিল, সেই আপনার কথা শুনবে না যখন সে এইসব চক্করে পড়বে।
যাই হোক, মূল কথায় আসি।
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ এ যোগাযোগ করে জেনে নিন কোন টাইমিং স্লটটা খালি আছে। Normally আমরা শনি সোম বুধ এবং রবি মঙ্গল বৃহস্পতি এই তিন দিন করে করাই। তবে শনি সোম বুধের কোন স্লটটা খালি আছে বা রবি মঙ্গল বৃহস্পতি বারের কোন স্লটটা খালি আছে সেটা জানার জন্য এই বাটনটা টিপ দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ এ জিজ্ঞেস করে নিন।
📱 হোয়াটসঅ্যাপ এ মেসেজ দিনপ্রতিটি ব্যাচে সর্বোচ্চ ১২ জন ছাত্র-ছাত্রী নেওয়া হয়। এতে প্রতিটি শিক্ষার্থীকে আলাদা মনোযোগ দেওয়া সম্ভব হয়।
উত্তর:
সুন্দর প্রশ্ন। একটাই ছোট্ট শর্ত আছে যে, ৮০% উপস্থিতি থাকতে হবে। আর কিছু না, ব্যাস।
ছাত্র ৮০% উপস্থিত থাকার পরও এক মাস পরে পড়া দ্বারা সন্তুষ্ট না হলে সম্পূর্ণ বেতন, ভর্তি ফি ইত্যাদি সব ফেরত পাবেন আপনি।
সম্পূর্ণ ঠিকানা:
৩৩/১১, তাজমহল রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা - ১২০৭
কীভাবে খুঁজে পাবেন:
কেন্দ্রীয় কলেজ থেকে ২ মিনিটের ব্যবধানে (কেন্দ্রীয় কলেজের সামনে এসে যে কাউকে জিজ্ঞেস করলেই হবে যে, "বঙ্গবন্ধু মাঠ" কোনদিকে। সেই মাঠের সাথেই আমাদের প্রতিষ্ঠান)
↑ এই বিল্ডিংয়ে আমাদের প্রতিষ্ঠান অবস্থিত
বিল্ডিং এর ছবি দেখে সহজেই চিনতে পারবেন
সিট/ টাইমিং স্লট শেষ হওয়ার আগেই নিজের সন্তানের জন্য মাত্র ৩০০ টাকা বিকাশে পাঠিয়ে হলেও বুকিং করে নেন